মেইন ম্যেনু

৬৫০ নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের কথা স্বীকার ক্রিকেটারের

সাবেক ক্যারিবীয় পেসার টিনো বেস্ট বিতর্কিত জীবন-যাপনের জন্য সমসময়ই আলোচনায় ছিলেন। মাঠের মধ্যে, কী মাঠের বাইরে- নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে তিনি সংবাদের শিরোনাম হতেন।

ভারতীয় কিংবদন্তী শচীন টেন্ডুলকারের বিদায়ী টেস্ট সিরিজে তাকে স্লেজিং করতেও পিছপা হননি এই ক্যারিবীয় পেসার। এবার জানা গেল তার জীবনের আরেকটা চাঞ্চল্যকর তথ্য। তিনি নাকি ৬৫০ জনের বেশি নারীকে বিছানায় সঙ্গ দিয়েছেন। আর এ কথা বেস্ট নিজেই বেশ গর্ব করে তার আত্মজীবনীতে জানিয়েছেন।

আগামী ২৮ এপ্রিল বেস্টের আত্মজীবনী ‘মাইন্ড দ্য উইন্ডোজ’ প্রকাশিত হবে। যে বইয়ের কিছু অংশ প্রকাশিত হয়েছে একটি ব্রিটিশ সংবাদপত্রে। সেখানে বেস্টের স্বীকারোক্তি নিয়ে শোরগোল পড়ে গেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ৯৭টি আন্তর্জাতিক উইকেট নেওয়া পেসার ফাঁস করেছেন তার বিতর্কিত জীবনযাত্রার কথা। কীভাবে তিনি একাধিক নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন, সেটাও জানিয়েছেন বেস্ট।

আত্মজীবনীতে তিনি লিখেছেন, ‘আমি নারী সঙ্গ ভালোবাসি এবং তারাও আমাকে ভালোবাসে। আমি নিজেকে কৃষ্ণাঙ্গ ব্র্যাড পিট মনে করি। ক্রিকেটার হিসাবে যেখানেই যেতাম, আমি নারীদের সঙ্গে আলাপ করতাম, তাদের সঙ্গে ডেট করতাম এবং সেই নারীদের শয্যাসঙ্গিনী করে ফেলতাম।’

নিজের প্রথম প্রেমিকার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়া যে তার একের পর এক শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার অন্যতম কারণ, সেটাও স্বীকার করেছেন বেস্ট।

আত্মজীবনীর এক জায়গায় তিনি লিখেছেন, ‘আমার এবং প্রথম প্রেমিকা মেলিসার সন্তান তামানি; কিন্তু আমাদের সম্পর্কটা টেকেনি। বন্ধুরা আমাকে বলেছিল, বার্বেডোজের হয়ে আমি উইকেট নিলেই ও ফিরে আসবে। মাঠে বল হাতে আমি ঠিক সেটাই করেছিলাম; কিন্তু ও ফিরে আসেনি। তারপর আমি প্লে-বয় হয়ে গেলাম।’

বেস্ট জানিয়েছেন, ২০০৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে এগারো সপ্তাহ অস্ট্রেলিয়া সফরে কাটিয়েছিলেন তিনি। সেই এগারো সপ্তাহে চল্লিশেরও বেশি নারীর সঙ্গে সহবাস করেছিলেন।

বেস্ট লিখেছেন, ‘সেই সফরে একটাও টেস্ট ম্যাচ খেলার সুযোগ পাইনি। কোচ বেনেট কিং আমাকে নিয়ে হয়তো ভাল কিছুর আশাই করতেন না।’ এরপরই তিনি মজা করে লিখেছেন, ‘তবে রাত্রে আমি জোরে বোলিং করতাম। পার্টি করতে যেতাম, তারপর কোনও না কোনও নারীকে নিয়ে হোটেলের ঘরে ফিরতাম।’

এক রাতে একাধিক নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক ঘটানোর কথাও ফাঁস করতে ছাড়েননি তিনি। বেস্ট লিখেছেন, ‘মাঝে-মধ্যে চারজনকে হোটেলের ঘরে নিয়ে যেতাম। আমাকে সাহায্য করার জন্য কোনও একজন সতীর্থকে ডাকতে হতো। অনেকবার একসঙ্গে তিনজনের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছি।’

ক্রিস গেইলের বর্ণময় চরিত্রের কথাও নিজের বইয়ে উল্লেখ করেছেন বেস্ট। তবে নিশি অভিযানে ডোয়াইন ব্র্যাভোর সঙ্গ সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।