মেইন ম্যেনু

৬-৯ মাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে মোস্তাফিজকে!

অনেক প্রতিক্ষার এমআরআই রিপোর্র্ট শেষ পর্যন্ত হতাশারই জন্ম দিল।মোস্তাফিজের বাম কাঁধের স্লাপে সমস্যা ধরা পড়েছে।এটা তার পুরানো সমস্যা। তিন দিন আগে নেটে বল করতে গিয়ে সেই পুরানো সমস্যা আবার মাথা চাড়া উদিয়ে ওঠে। ফলে ২৫ জুলাই গ্লস্টারশায়ারের বিপক্ষে ওয়ানডে কপে সাসেক্সের হয়ে মাঠে নামতে পারেননি তিনি।

এরপর তার বাম কাঁধের এমআরই করা হয়।বুধবার এমআইয়ের রিপোর্ট হাতে পায় বিসিবি। রিপোর্ট খারাপ আসায় বুধবার হ্যাম্পশায়ারের বিপক্ষে একাদশে রাখা হয়নি তাকে। সাসেক্সের ওয়েবসাইটে অবশ্য আশা করা হয়েছে, টি-২০ ব্লাস্টের শেষ ম্যাচে বৃহস্পতিবার মাঠে নামবেন কাটার বয়।

কিন্তু বিসিবির মিডিযা কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস এর কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না। চলতি কাউন্টিতে মোস্তাফিজের খেলার সম্ভাবনাই নেই বলেই তিনি মনে করেন। কারণ যে ধরনের ইনজুরিতে মোস্তাফিজ পড়েছেন, সেটা দুই উপায়ে নিরাময় সম্ভব। প্রথমত ব্যাথানাশক ইনজেকশন নিয়ে যেটা সাময়িক চিকিৎসা। দ্বিতীয়টি হচ্ছে, অস্ত্রপচার।

ব্যথা নাশক ইনজেকশন নিয়ে খেলার বিপক্ষে বিসিবি। আগেই সাসেক্সকে এটা জানিয়ে দেওয়া হয়। আর সেটা মেনেও চলছে সাসেক্স। যদিও টি-২০ ব্লাস্টের নিজেদের শেষ গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটিতে ফিট না থাকা সত্বেও কাটার বয়কে মাঠে নামাতে চচ্ছে ক্লাবিটি। কিন্তু বিসিবির ‘নিষেধের’ কারণে শেষ পর্যন্ত তাকে মাঠে না নামানোর সম্ভাবনাই বেশি।

ব্যথা নাশক ইনজেকশন ব্যবহারের বদলে স্থায়ী চিকিৎসায় যেতে চায় বিসিবি। মানে অস্ত্রপচার। অবশ্য তার জন্য আরো এটা এমআরআই করতে হবে। এরপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

জানা গেছে, এধরনের অস্ত্রপচার করে মাঠে ফিরতে ৬ থেকে নয় মাস পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। এর আগে বাংলাদেশের রুবেল হোসেনের এধরনের অস্ত্রপচার করা হয় এবং তার মাঠে ফিরতে লেগে যায় ৯ মাস।

কাঁধের সমস্যা আছে তামিম ও নাসিরেরও। কিন্তু ব্যাটসম্যান বলে কিছু ওষুধ এবং নির্দিষ্ট পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারা অস্ত্রপচার ছাড়াই খেলে যেতে পারছেন। কিন্তু বোলাররে ক্ষেত্রে সেটা সম্ভব হয় না। কারণ তা;রে হাত ঘুরিয়ে বল করা লাগে। আর এ সময় কাঁধে ব্যথা অনুভব হয়।



« (পূর্বের সংবাদ)