মেইন ম্যেনু

৭টি এমন কাজ যা স্কুল জীবনে সকলেই কখনও না কখনও উপভোগ করেছেন

এখানে রইল এমন কয়েকটি বিষয়, যা স্কুল জীবনের আনন্দকে বহুগুণে বাড়িয়ে দিত বলেই মনে করেন অনেকে। দেখে নিন, আপনার মতের সঙ্গে মেলে কি না।

স্কুল জীবন ছিল জীবনের সেরা সময়— এমন মত পোষণ করেন অনেকেই। সত্যিই, স্কুল জীবনের এক আশ্চর্য মাধুর্য ছিল যেন। কিন্তু ঠিক কী কারণে স্কুল জীবনকে এত মধুর মনে হতো? এখানে রইল এমন কয়েকটি বিষয়, যা স্কুল জীবনের আনন্দকে বহুগুণে বাড়িয়ে দিত বলেই মনে করেন অনেকে। দেখে নিন, আপনার মতের সঙ্গে মেলে কি না।

১. ছুটির আনন্দ: স্কুলে কাটানো সময়টুকু যতই আনন্দের হোক না কেন, ছুটির ঘন্টা বেজে উঠতেই এক আশ্চর্য আনন্দে ভরে উঠত মনটা। সেই আনন্দের কোনও তুলনা হয় না।

২. প্রথম প্রেম: জীবনে প্রথম কাউকে ভাল লাগার ঘটনাটা নিশ্চয়ই স্কুল জীবনেই ঘটেছিল? স্কুলের কোনও এক সহপাঠী বা সহপাঠিনীর দিকে তাকিয়ে উদাস হয়ে যাওয়ার ঘটনা স্কুলেই ঘটত। তার পরে তার দিক থেকে যদি একটুকরো হাসি উপহার পাওয়া যায়, তা হলে তো কথাই নেই। সেই অনুভূতি স্বর্গীয়।

৩. নিজেকে অপরাজেয় মনে করার অনুভূতি: স্কুল জীবনে নিজেকে অপরাজেয় মনে করেননি, এমন কেউ আছেন না কি। সেই ভাবনায় সারল্য ছিল, অপরিপক্কতা ছিল, কিন্তু তাতেই ছিল আনন্দ।

৪. উদ্বেগেরও ছিল আলাদা মজা: পরীক্ষার উদ্বেগ ছিল, টিউশানের টেনশন, বাবা-মাযের বকা খাওয়ার ভয়ও কম ছিল না— কিন্তু চাকরিজীবনের উদ্বেগের চেয়ে তো কম ছিল সেই স্ট্রেস।

৫. বন্ধুদের গ্রুপ: সমস্ত সহপাঠীর সঙ্গে তো আর সমান বন্ধুত্ব ছিল না, স্পেশাল ফ্রেন্ডদের নিয়ে ছিল একটি বিশেষ গ্রুপ। তাদের মধ্যে চলত সমস্ত গুপ্তকথার আদানপ্রদান, চলত কোড ল্যাঙ্গুয়েজে কথাবার্তা। তার আনন্দও কি কম নাকি?

৬. প্রিয় টিচারের ক্লাস: শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বাদ দিয়ে কি আর স্কুল হয়? অনেক টিচারের মধ্যে কোনও কোনও টিচার ছিলেন বিশেষ প্রিয়। তাঁদের ক্লাস করতে যে শুধু ভাল লাগত তা নয়, তাঁদের ব্যক্তিত্বও ছিল বিশেষ মোহসঞ্চারী।

৭. স্কুলের অনুষ্ঠান: স্কুল মানে তো আর শুধু পড়াশোনা নয়, সেই সঙ্গেই ছিল কালচারাল ইভেন্টস, স্পোর্টস— আরও কত কী! সেই সমস্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মজাই ছিল আলাদা।