মেইন ম্যেনু

৭টি কৌশলে হয়ে উঠুন পারফেক্ট গৃহিণী

অনেকের ধারণা গৃহিণী হওয়া অনেক সহজ কাজ। যে কেউই ভাল গৃহিণী হতে পারেন। কিন্তু এটি আসলে ভীষণ ভুল ধারণা। একজন গৃহিণীকে অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয়, অনেক কিছু একসাথেই সামাল দিতে হয়। একজন সুগৃহিণী সব সময় চাইবেন সঠিকভাবে তার পরিবার ও ঘর সামলাতে। কিন্তু নানা ঝামেলার কারণে ইচ্ছা থাকার সত্ত্বেও সব সময় সব কাজ করা ঠিকমত হয়ে উঠে না। যদি পারফেক্ট গৃহিণী হওয়ার কোন ফর্মুলা থাকতো তাহলে দারুন হতো, তাই না? ঠিক ফর্মুলা না হলেও কিছু কৌশলের কথা জানিয়েছে myshaadi, youngwifesguide. এবং virtuedigest থেকে।

১। মনস্থির করুন

“সবকিছুর আগে পরিবার তারপর আপনার অন্য কাজ”- এই কথাটি মনে গেঁথে নিন। তারপর আপনার সারাদিনের পরিকল্পনাগুলো করুন।

২। একটি লিস্ট তৈরি করুন

প্রতিদিনকার কাজের লিস্ট তৈরি করে নিন। রান্না করা, পরিস্কার করা, কেনাকাটা এমনকি বাচ্চাদের ঘুরতে নিয়ে যাওয়াসহ সকল কাজের একটি লিস্ট তৈরি করে নিন। আপনার যদি নতুন বিয়ে হয়ে থাকে তবে, কী কী কাজ করতে হবে এবং কী কী কাজ আপনি শিখতে আগ্রহী তার একটি লিস্ট তৈরি করে নিতে পারেন। এটি আপনাকে কাজের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার সাথে সাথে আপনার কাজকে সুন্দরভাবে সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করবে। কাজের সময় নির্দিষ্ট করে নিতে পারেন। যেমন আপনি ঠিক করে রাখতে পারেন ১৫ মিনিটে শোবার ঘরটি গোছাবেন। এতে কাজ করা সহজ হবে সাথে সময় ম্যানেজ করা হয়ে যাবে।

৩। ঘর গোছানো

ঘর প্রতিনিয়ত আগোছালো হয়ে থাকে। বিশেষ করে যদি ঘরে বাচ্চা থাকে তবে তো কোন কথা নেই! বাচ্চা হোক বড় ঘর অনেক বেশি আগোছালো থাকে। আপনাকে ঘর কোন জিনিসটি কোথায় রাখবেন তা আগে পরিকল্পনা করে রাখুন। এছাড়া ঘর আগোছালো হলে দ্রুত গোছানোর চেষ্টা করুন। পরে করব বলে রেখে দিলে দেখা যাবে ঘরটি আর গোছানো হয়ে উঠছে না।

৪। ঘর পরিষ্কার রাখা

ঘর সবসময় পরিষ্কার রাখুন। একজন মানুষের পক্ষে একা ঘর পরিস্কার করা কঠিন। তাই ঘর পরিষ্কার করতে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাহায্য নিন। বয়স অনুযায়ী ঘরের সদস্যদের মধ্যে কাজ ভাগ করে দিন। ঘর পরিষ্কার করার সাথে সাথে ঘর সাজানোর দিকে লক্ষ্য রাখবেন। তবে খেয়াল রাখবেন ঘর যেন অতিরিক্ত সাজানো না হয়ে যায়।

৫। নিজেকে সময় দিন

সংসারের কাজ করতে করতে নিজের কথা ভুলে গেলে চলবে না। একজন পারফেক্ট গৃহিণী ঘরে সব কাজ করে নিজের জন্য কিছু সময় বের করে রাখেন। দিনে কিছুটা সময় নিজেকে দিন। ত্বকের যত্ন করুন বা চুলের যত্ন। সম্ভব হলে কোন পার্লারে গিয়ে ফেসিয়াল করে আসতে পারেন। মনে রাখবেন আপনি যদি সুস্থ সুন্দর থাকেন, তবে আপনার পরিবারও সুস্থ সুন্দর থাকবে। তারা আপনার উপর নির্ভরশীল।

৬। ইতিবাচক থাকুন

আপনি সব সময় ইতিবাচক মত পোষণ করুন। কারণ আপনার কাছ থেকে অন্যরা অনুপ্রাণিত হবে। তাই আপনাকে নেতিবাচক মনোভাব দূর করতে হবে।

৭। মজার কিছু রান্না জানুন

কথিত আছে ছেলেদের হৃদয়ের রাস্তা পেট দিয়ে যায়। এই কথাটি আপনার বর এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য। নতুন কিছু খাবারের রেসিপি শিখে নিন। এই খাবারগুলো তৈরি করে চমকে দিন প্রিয় মানুষদেরকে।

একজন পারফেক্ট গৃহিণী হওয়া খুব কঠিন কিছু নয়। এর জন্য প্রয়োজন শুধু ইচ্ছা, পরিবারের প্রতি ভালোবাসা আর মমতা।