মেইন ম্যেনু

৭ম শ্রেণীর ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে মোবাইলে ভিডিও ধারণ!

স্কুলছাত্রী গণধর্ষণ, দুই ধর্ষক আটক চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামে এক স্কুল ছাত্রী (১৪) রাতে প্রাকৃতিক ডাকে সারা দিতে গেলে ৩ বখাটে দ্বারা গণধর্ষণের শিকার হয়। ঘটনার পর দুই ধর্ষককে আটক করেছে থানা পুলিশ।

ভিকটিম উপজেলার লুধুয়া হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী। ধর্ষণ করার সময় মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে বখাটেরা। ঘটনার পর অভিযুক্ত উপজেলার ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের উত্তর লুধুয়া গ্রামের বিল্লাল হোসেন হাজীর ছেলে সাইদুল (২২) ও মৃত. মাহমুদ হোসেনের ছেলে মোস্তফা (২২)কে আটক করা হয়। হাজী আবুল হোসেনের ছেলে মোহন (২৩) পলাতক রয়েছে।

এ ব্যাপারে ধর্ষিতার মা মতলব উত্তর থানায় বুধবার ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন/২০০০(সংশোধন/২০০৩)ইং এর ৯(৩) এবং ৩৭৯/৩৮৫/৫০৬ পেনাল কোড’ ধারায় মামলা করেছেন। মামলার বাদি ভিকটিমের মা জানান, ১৬ জানুয়ারি শনিবার রাত ৮টায় আমার মেয়ে প্রাকৃতিক ডাকে সারা দিতে গিয়ে ঘরে ফিরতে দেরি করলে আমি বের হয়ে তাকে খোঁজাখুঁজি করতে থাকি।

পরে ১০টার দিকে বাড়ির লোকজন নিয়ে কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে গেলে মোহন, মোস্তফা ও সাইদুল দৌড়ে পালিয়ে যায়। তখন আমরা শাহজাহানের বাড়ির কাছে কবরস্থানের পাশে ধান ক্ষেতে আমার মেয়েকে অচেতন অবস্থায় পাই। তিনি আরো জানান, আমার মেয়ে স্কুলে যাওয়া-আসার সময় প্রায়ই মোহন প্রেমের প্রস্তাব দিত।

২ জানুয়ারি মোহন আমার মেয়ের হাতে দু’টি মোবাইল নম্বর লিখে একটি কাগজ দিলে তা আমার মেয়ে ছিড়ে ফেলে দেয়। এজাহার সূত্রে জানা যায়, স্কুলছাত্রীকে মোবাইলে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করা হয়। স্কুলছাত্রীর পরিধেয় স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়।

টাকা দাবী করে, টাকা না দিলে ইন্টারনেটে ভিডিও ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেয় ধর্ষণকারীরা। মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন মজুমদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ভিকটিমের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় মেয়ের মা বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।