মেইন ম্যেনু

৭০ বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে ‘সামছু ভাই’!

বয়স তার ৭০ বছর। শরীরটা বার্ধক্যে পড়লেও মন যে তার বুড়ো হয়নি। তাই এ বয়সে এসেও বিয়ে করার স্বাদ জাগে সামছু ভাইয়ের।

জিয়ানগর উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নের সত্তরোর্ধ্ব সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সামছুর রহমান খান শেষ জীবনে বিয়ের পিঁড়িতে বসায় এলাকায় আনন্দের ফুলঝুরি ঝরছে।

শুক্রবার চণ্ডীপুর কাজী অফিসে আত্মীয়দের উপস্থিতিতে বালিপাড়া গ্রামের জাহানুর বেগমের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি।

বয়স তার ৭০ হলেও নববধূর বয়সও একেবারে কম নয়। ৪৫ ছুঁই ছুঁই। অবশ্য বছর চারেক আগে তার স্বামী ফজলু মৃধা মারা যান।

স্বামীর মৃত্যুর পর বিধবা হন তিনি। দুই ছেলে আর এক মেয়ে রেখে যাওয়া অসহায়ত্বের এ জীবনে জাহানুর বেগম নতুন ঘর আর বর পেয়ে বেশ খুশি।

তেমনি চিরকুমারের খাতা থেকে নিজের নামটি বাদ দিতে পেরে বেশ উৎফুল্ল বরও।

সামছুর রহমান খান স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে খুলনা সিটি কলেজে লেখাপড়াকালীন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।

১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধেও অংশগ্রহণ করেন। অল্প সময়ের ব্যবধানে কলেজে ছা্ত্র রাজনীতি ডিঙিয়ে খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পান তিনি।

পরে পড়াশোনা শেষে নিজ গ্রামে এসে ১৯৮৮ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দাঁড়ালে মাত্র ৩৪ বছর বয়সে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

নিজ ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলায় ছোট-বড় সবার কাছে জনপ্রিয় নেতা ‘সামছু ভাই’। উভয়ের পারিবারিক সম্মতিতে এ বিয়ে হওয়ায় স্বজনদের মধ্যে যেন আনন্দের বন্যা বইছে।

বাকি জীবনটা একটু আরাম আয়েশে কাটাতেই বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন সামছুর রহমান খান নিজেই বললেন সেই কথা।