মেইন ম্যেনু

‘৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনে রাজস্ব আদায় অবশ্যই বাড়াতে হবে’

‘আমরা সত্যিই যদি অগ্রগতির পথে যেতে চাই, সাত শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে চাই, তাহলে রাজস্ব আদায় অবশ্যই বাড়াতে হবে। সেই চ্যালেঞ্জই আমি আমার এই বাজেটে নিয়েছি এবং চ্যালেঞ্জ সাকসেস করব বলে প্রত্যাশা করছি।’

শুক্রবার বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত একথা বলেন। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জন্য বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রায় তিন লাখ কোটি টাকার বাজেট দেওয়ার পরদিন রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনেরআয়োজন করা হয়।

বাজেটের ২ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য অর্জনকে ‘চ্যালেঞ্জ’ হিসাবে নেওয়ার কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে এখন একটি ‘ধাক্কা দেওয়ার’ সময় এসেছে। তিনি বলেন, তার বিশ্বাস বাজেটের লক্ষ্য অনুযায়ী রাজস্ব বাবদ দুই লাখ ৮ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা দিতে জাতি ‘প্রস্তুত আছে’। আর এই বিশাল লক্ষ্য অর্জনে রাজস্ব আদায়কারী সংস্থা এনবিআরও প্রস্তুত রয়েছ।

মুহিত বলেন, ‘আমরা নতুন করদাতা সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছি, এই করদাতাদর কাছ থেকে অতিরিক্ত রাজস্ব আসবে। এ কথা ঠিক যে এই রাজস্ব আদায়ের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা দেওয়া দরকার। এই ধাক্কা দেওয়ার সময় এসেছে এবং আমরা সেই ধাক্কাটিই দিতে চাই।’

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে তিনি যখন অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পান, তখন দেশে সক্রিয় করদাতার সংখ্যা ছিল সাত লাখ। এখন তা বেড়ে ১১ লাখ হয়েছে। ‘ইট ইজ ভেরি ভেরি স্লো। এই সংখ্যা বাড়ানোর জন্য আমাদের এনবিআর একটি জরিপ করেছে, সেই জরিপের ভিত্তিতেই আমরা নতুন করদাতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত এই কর আদায় করব।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জানি, আমাদের এই টার্গেট উচ্চাভিলাষী, টার্গেট ইজ ভেরি হাই, তবে আমাদের রেকর্ড আছে, এই সাত বছরে একবার আমরা রাজস্ব আদায়ে ২৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছিলাম। সে বিষয়টি মাথায় রেখেই সরকার ও এনবিআরের পক্ষ থেকে এবার ‘অতিরিক্ত উদ্যোগ’ নেওয়া হবে।’

সংবাদসম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু ও পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান, অর্থ সচিব মাহাবুব আহমেদ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।