মেইন ম্যেনু

‘৮০ হাজার’ শরণার্থীকে ফেরত পাঠাবে সুইডেন

গেল বছরই সুইডেনে আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছে প্রায় ১ লাখ ৬৩ হাজার শরণার্থী। এ সংখ্যা ইউরোপের যেকোনো দেশের তুলনায় অনেক বেশি। ৬০ থেকে ৮০ হাজার শরণার্থীর আবেদনই বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এন্ডারস এজম্যান এ ঘোষণা দিয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ওই শরণার্থীদের চার্টার বিমানে করে দেশে ফেরত পাঠানো হবে। এতে কয়েক বছর সময় লাগবে। আপাতত ৬০ হাজার লোকের কথা বললেও এ সংখ্যা বেড়ে ৮০ হাজার পর্যন্ত হতে পারে।

গত বছরের এতগুলো আবেদনের মধ্যে ৫৮ হাজার ৮০০ আবেদন যাচাইবাছাই করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৫৫ ভাগ আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে।

সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ এবং বিভিন্ন সঙ্কটের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশসহ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকেও জনস্রোত যাচ্ছে ইউরোপের কয়েকটি দেশে। তীব্র শীতে এ আশ্রয়প্রত্যাশীরা ভিড় জমাচ্ছে গ্রিসের সৈকতে। ইউরোপকে শরণার্থী ইস্যু নিয়ে যথেষ্ট ‘যুদ্ধ’ করতে হচ্ছে। কেননা কয়েক লাখ শরণার্থীর লক্ষ্য এখন ইউরোপের অন্তর্ভূক্ত দেশগুলো। তারা একটু নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাগর পথে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাড়ি দিচ্ছে।

এবছরের শুরুতেই ৪৬ হাজারের বেশি শরণার্থী গ্রিসে পৌঁছেছে। ইউরোপে পাড়ি জমাতে গিয়ে সাগরে ডুবে মারা গেছে ১শ ৭০ জনেরও বেশি মানুষ।

তবে চলতি সপ্তাহে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোর ২২ বছর বয়সী এক তরুণকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করার পর সুইডেনে শরণার্থীদের নিয়ে এক ধরনের উত্তেজনা বিরাজ করছে। ওই কিশোরকে ইতোমধ্যেই আটক করেছে পুলিশ। আর এই ঘটনার পর নতুন করে শরণার্থীদের নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে সুইডেন।