মেইন ম্যেনু

৯৪৮৪ নার্স নিয়োগ প্রধানমন্ত্রীর ‘ঈদ উপহার’ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ৯ হাজার ৪৮৪ জন সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগের ঘটনাকে দেশের জনগণ ও বেকার নার্সদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ‘ঈদ উপহার’ বলে আখ্যায়িত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

তিনি বলেন, সবার জন্য স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণের পথে দীর্ঘদিনের অন্তরায় নার্স সংকট সমাধানের পথ উন্মোচিত হয়েছে এই নিয়োগের মাধ্যমে। দ্রুত সারাদেশের হাসপাতালে তাদের পদায়ন করে জনগণের দোরগোড়ায় চিকিৎসা নিশ্চিত করার পথে দেশকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে সরকার।

৫০০ জন চিকিৎসককে সহকারী অধ্যাপক হিসাবে পদোন্নতি প্রদান করা হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তাদেরকে দেশের ৩১টি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত হাসপাতালে পদায়ন করা হবে। তাদেরকে কলেজে শিক্ষকতার পাশাপাশি হাসপাতালেও চিকিৎসা প্রদানের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অন্যথায় কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করা হবে।

সোমবার সচিবালয়ে নার্স নিয়োগ ও চিকিৎসকদের পদোন্নতি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি একথা বলেন।

সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নার্সদের অভিনন্দন জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যারা আন্দোলন ও হুমকির মধ্যেও মানবসেবার মনোবৃত্তি নিয়ে পরীক্ষা দিয়েছিলেন তারাই প্রকৃত সেবক। যারা পরীক্ষা ছাড়া নিয়োগের আন্দোলন করে নৈরাজ্যের পথ বেচে নিয়েছিল তারা নিশ্চয় আজ উপলব্ধি করছে তারা ভুল করেছে। জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে নার্স নিয়োগের দাবির প্রেক্ষিতে সরকারের আশ্বাসের উপর তাদের আস্থা রাখা উচিত ছিল।

তিনি বলেন, দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিধান অনুযায়ী পিএসসির মাধ্যমে পরীক্ষার কোনো বিকল্প নাই। নার্সদের দাবিকে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিবেচনা করে মন্ত্রণালয়ের অনুরোধ অনুযায়ী পিএসসি পরীক্ষা পদ্ধতি সহজ করেছে, পরীক্ষার ধাপ কমিয়েছে।

একই সঙ্গে প্রায় ১০ হাজার নার্স নিয়োগকে বিশ্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ঘটনা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নিদের্শনা অনুযায়ী সরকার বেকার নার্সদের প্রতি দেয়া অঙ্গীকার রক্ষা করেছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বিমান কুমার সাহা এনডিসি, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক ওয়াহিদ হোসেন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, বিএমএ মহাসচিব অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সলান, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ, এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এহসানুল কবিরসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পরে মন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির পর্যালোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন।