মেইন ম্যেনু

৯৬ বছর বয়সেও মেলেনি বয়স্ক ভাতা

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ১নং হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের বোয়ালদাহ গ্রামের মেছোপাড়া এলাকার নোমেছা। স্বামী মারা গেছে কত বছর আগে তা তার মনে নেই। তবে তিনি জানান, আনুমানিক ২৫-৩০ বছর আগে মারা গেছেন। স্বামী মারা যাবার পর থেকে তিনি মানুষের বাড়িতে কাজ করতেন।

বর্তমানে তার বয়স ৯৬ বছর। কর্মশক্তি হারিয়ে গেছে। অথচ এখনো তার কপালে জোটেনি বয়স্ক ভাতা কিংবা বিধবা ভাতার কার্ড। হাটশ হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (বোর্ড অফিস) ও মেম্বারদের কাছে অনেকবার ধর্না দিয়েও একটি বয়স্ক কিংবা বিধবা ভাতার কার্ড পাননি তিনি। বরং ইউনিয়ন পরিষদের বারান্দা থেকে তাকে দূর-দূর করে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

আক্ষেপ করে তিনি বলেন, আগে আমি বোর্ড অফিসে গেছি। সেখান থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল। এখন আমি অসুস্থ্, চলতে পারি না। আমার ছেলেকে বারবার বোর্ড অফিসে পাঠিয়েও কোনো কাজে হয়নি। একপর্যায়ে বৃদ্ধা নোমেছা বলেন, আর আর কত বয়স হলে বয়স্ক ভাতার কার্ড পাব।

স্থানীয়রা জানান, নোমেছার পাঁচ ছেলের মধ্যে এক ছেলে মারা গেছে। দুজন ছেলে প্রতিবন্ধী। তাদের ভাগ্যেও জোটেনি প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড। বয়স্ক ভাতা কিংবা বিধবা ভাতার কার্ড হলেও অন্তত কিছুটা চলতে পারত নোমেছা।

হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের বোয়ালদাহ গ্রামের মেছোপাড়া এলাকার ৯৫ ঊর্ধ্ব নোমেছা সাংবাদিকদের কাছে পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেয়ার অনুরোধ জানান।