মেইন ম্যেনু

অভিনয়ের কথা বললেই পালাতাম : সোনাক্ষি সিনহা

%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%bf-525x350

‘আমার অভিনয় শেখাটা অনেকটা সাঁতার না জানা ব্যক্তির পানিতে পড়ে সাঁতার শেখার মতো ব্যাপার।’ সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমের কাছে এমন ভাবেই অভিনয়ে আসা প্রসঙ্গে কথা বলেন বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষি সিনহা।

সোনাক্ষি বলেন, ‘ছোটবেলায় কেউ আমাকে সিনেমায় অভিনয়ের কথা বললেই আমি পালাতাম। ছোটবেলায় বাবা (অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহা)-র সঙ্গে সেটে গেলেও আমার একেবারেই শুটিং ভালো লাগত না। সবাই জানে, অভিনয় শেখার জন্য আমি কখনো অ্যাক্টিং স্কুলে যাইনি। কেউ অভিনয় করার কথা বললেই মুখের ওপর না করে দিতাম। তবে সালমন খান এবং আরবাজ খান আমাকে না বলার সুযোগ দেননি। আমাকে বলা হয়েছিল, ‘দাবাং’ ছবিতে আমি অভিনয় করছি। ব্যাস। তারপরই চলে এলাম এই জগতে।’

জীবনে সাফল্য এবং ব্যর্থতার বৃত্তে প্রবেশ করলেও সাফল্য এবং ব্যর্থতাকে একটু অন্যরকম চোখে দেখেন সোনাক্ষি। জানালেন, ‘আমার অভিভাবকরা সবসময় সাফল্য এবং ব্যর্থতার দুটো দিককে ব্যালান্স করে চলতে শিখিয়েছেন। আমি ছবি হিট করলে যেমন চিৎকার করি না, তেমনি ছবি ফ্লপ করলেও ঘরে বসে বসে কাঁদি না। আমি বিশ্বাস করি, জীবনে সাফল্য এবং ব্যর্থতা সমান্তরাল। দুটোকেই ইতিবাচক দিক থেকে দেখতে হবে। আমি জানি, ব্যর্থতার চেয়ে সাফল্যই অনেক বেশি সংখ্যাক মানুষকে ধ্বংসের পথে নিয়ে গেছে। ফলে আমি জীবনে ব্যর্থতা থেকেও শিখতে চাই। আমার কাছে ‘পার্টিসিপেশন’ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। জীবনে কখনো হেরে গেলে জেতার সুযোগ আবার আসবে বলেই আমার বিশ্বাস।’

নিজের শালীরিক সৌন্দর্যের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে সোজাসাপ্টা জানালেন, ‘গ্ল্যামার দুনিয়ার চাপে পড়ে আমি আমার শারীরিক ওজন কম করিনি। কাজের প্রয়োজনে এবং নিজের তাগিদে আমি আমার ওজন কমিয়েছি। এখন আমার ফিটনেস লেভেল অনেকটাই বেড়েছে। এখন নিজেকে বেশ খেলোয়াড় খেলোয়াড় মনে হয়।’

সোনাক্ষির পরের ছবি ‘নূর’। এই ছবি নিয়ে বিশেষ কিছু বলতে না চাইলেও সোনাক্ষি জানালেন, ‘পাকিস্তানি লেখক সাবা ইমতিয়াজের ‘করাচি ইউ আর কিলিং মি!’ উপন্যাসটির ওপর নির্ভর করেই নির্মিত হচ্ছে এই ছবি।’ পাকিস্তানি সাংবাদিক-লেখক নূরের জীবন এবং ভালোবাসার কাহিনীকে কেন্দ্র করেই এই ছবি। ‘নূর’-এর পর ‘ইত্তেফাক’ ছবির রিমেক করার কথাও রয়েছে সোনাক্ষির।

শুরু হয়ে গেছে দেওয়ালি উৎসব। ফলে এই উৎসবে কাজ রেখে বাড়িতেই আপাতত থাকছেন সোনাক্ষি। বললেন, ‘মায়ের নির্দেশ দেওয়ালিতে বাড়ি যেতে হবে। কারণ, বছরের এই সময়টা আমাদের পুরো পরিবার একত্রিত হই।’