মেইন ম্যেনু

আচমকা শুরু হল টুসটুসে আপেলের বৃষ্টি…

ঝলমলে আকাশ৷ তার মধ্যেই বৃষ্টি৷ ঝরঝর করে ঝরে পড়ছে অবিরাম আপেল৷ টুসটুসে পাকা আপেলের বৃষ্টিতে হকচকিয়ে গেলেন সবাই৷ হরেক রকম বৃষ্টি হয়৷ কখনো মাছ ঝরে পড়ে৷ কখনও কাঁকড়া ও ব্যাঙ ঝরে পড়ে৷ অভিনব বৃষ্টির তালিকায় এসবই উঠে এসেছে৷ সেই তালিকায় আবারও উঠে এল আপেল বৃষ্টির কথা৷ ঘটনা ইংল্যান্ডের কভেন্ট্রি শহরের৷ ছবির মত সাজানো এই এলাকা৷ সেখানেই ঝরঝর করে ঝরে পড়েছে আপেল৷ সে এক অদ্ভুত দৃশ্য৷

আপেল বৃষ্টির জেরে কভেন্ট্রি শহরের যান চলাচল স্তব্ধ হয়ে যায়৷ এমন অভিনব বৃষ্টি হলে কেউ কি কোনও কাজ করতে পারেন৷ সবাই বাইরে এসে প্রাণভরে আপেল লুফতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন৷ রাস্তায় আপেল, ছাদে আপেল, বাগানে আপেলের স্তূপ জমা হয়েছে৷ যত ইচ্ছে কুড়িয়ে নাও কেউ দেখার নেই৷ কত খাবে খাও, কেউ বলার নেই৷ আকাশ থেকে অবিরাম ঝরে পড়েছে আপেল৷

স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, কেউ মজা করে প্লেন থেকে আপেল ছড়িয়ে দিয়েছে৷ পরে দেখা যায় এই ধারণা ঠিক নয়৷ বৈজ্ঞানিকদের ধারণা, টর্নেডোর শক্তিতে কভেন্ট্রি শহরে আপেল বৃষ্টি হয়েছে৷ তাঁরা বলেছেন, টর্নেডো যখন কোনও এলাকার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় তখন প্রবল শক্তিতে সেখানকার সবকিছু উড়িয়ে নিয়ে যায়৷ সেরকমই কোনও এক আপেল বাগানের উপর দিয়ে বয়ে আসা টর্নেডো শক্তি হারিয়ে থেমে গিয়েছিল কভেন্ট্রি শহরের আকাশে৷ ঘূর্ণিঝড়ের পেটের মধ্যে থাকা সেই বাগানের আপেল ঝরে পড়েছে শহরের উপরে৷ ২০১১ সালেও একইরকম আপেল বৃষ্টি দেখেছিলেন কভেন্ট্রিবাসী৷

যুক্তি যাই হোক, কভেন্ট্রিবাসী রীতিমতো আপ্লুত৷ এত আপেল ঝরে পড়েছে যে খুশিতে তাঁদের রাতের ঘুমই উড়ে গিয়েছে৷ প্রাণভরে আপেল বৃষ্টি উপভোগ করেছেন৷ আর খাওয়া ? সেটা তো চলছেই৷