মেইন ম্যেনু

উত্তেজনা কমিয়ে রাতে ঘুম এনে দেয় যে ফল!

joy_32315_1480394946

রাতে ভালো ঘুম হচ্ছে না। বিছানায় গেলে নানা চিন্তা ও উত্তেজনায় দুই চোখ থেকে ঘুম হাওয়া হয়ে যায়। বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেও কিছুতেই কিছু হচ্ছে না।

এভাবে প্রতিদিন অনিদ্রায় থাকার বিষয়টা ভাবাচ্ছে আপনাকে। তাহলে এখন উপায় কি?

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিদ্রা হচ্ছে ঘুমের একটি রোগ, যার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ঘুম না হওয়া বা বিভিন্ন সমস্যায় ঘুমাতে না পারা। এর ফলাফল স্বরূপ দিনের বেলায় অলসতা, দুশ্চিন্তা, মাথা ব্যথা, বিষন্নতা, ত্রুটিপূর্ণ কর্মদক্ষতা ছাড়া অন্যান্য বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।

অনিদ্রা সাধারণত দুই ধরনের, একটি হচ্ছে তীব্র ও অন্যটি হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী।

তীব্র অনিদ্রা সাধারণত ১/২ দিন থেকে এক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে অপরদিকে দীর্ঘস্থায়ী অনিদ্রা প্রায় মাস খানেক বা তার চেয়ে বেশি সময় স্থায়ী হতে পারে।

অনিদ্রা উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা, বিষণ্নতা, কম ঘুমানোর স্বভাব, মানসিক রোগ, জীবন যাত্রার পরিবর্তন, ঘুমানোর পরিবেশ বদল, দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, ক্যাফেইন বা অন্য উত্তেজক কিছুর প্রভাবে, শ্বাসকষ্টের কারণে হতে পারে।

এছাড়া কিছু জটিল সমস্যা যেমন : হৃদরোগ, আর্থ্রাইটিস, অ্যাসিডিটি ইত্যাদির সমস্যার কারণে হতে পারে।

অনিদ্রা ও অহেতুক উত্তেজনা একটি সমস্যা, কিন্তু এর সমাধানও তো দরকার। আরে এ নিয়ে এতো ভাবাভাবির কি আছে?

কারণ গবেষকরা বলেছেন, এর সমাধান আপনার হাতের কাছে রয়েছে। কী বিশ্বাস হচ্ছে না তো! জি রান্না ঘরের কাচের বোতলে রাখা জয়ফল এ সমস্যা থেকে আপনাকে দ্রুত মুক্তি দিতে পারে।

কারণ জয়ফলের রয়েছে উত্তেজনা প্রশমন করে প্রশান্তি দেয়ার মত গুণাবলী এবং এটি প্রাকৃতিকভাবেই ঘুম পাড়াতে সহায়তা করে।

তাহলে দেরি কেন? আসুন জেনে নিই কীভাবে জয়ফল আপনার অনিদ্রা ও উত্তেজনা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে :

জয়ফলের মিশ্রণ তৈরির প্রস্তুত প্রণালী

* একটি জয়ফল বা ১টা চা চামচ জয়ফল গুঁড়ো কুসুম এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে পাঁচ মিনিট ঢেকে রাখুন। রাতে ঘুমাতে যাবার আগে খেয়ে নিন।

* ১ চা চামচ জয়ফল গুঁড়ো চাইলে এক কাপ যেকোন ফলের জুসের মিশিয়ে খেতে পারেন। অথবা সামান্য জয়ফল গুঁড়ো এক টেবিল চামচ আমলকীর রসের সঙ্গে মিশিয়ে দিনে ৩ বার খান যা বিষণ্নতা ও হজমের সমস্যা দূর করবে।

ভেষজ চিকিৎসা বিজ্ঞানে, জায়ফল বহু বছর আগে থেকেই যৌনশক্তি বৃদ্ধিতে এটি ব্যবহার হয়ে আসছে। জয়ফলে আছে বিশেষ এক ধরনের কেমিকেল। যা স্নায়ুর কোষকে উত্তেজিত করে। এটি রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে।