মেইন ম্যেনু

এই টেক্সটিং মিস্টেকগুলো করছেন না তো?

shutterstock_110093987-web

কাছের মানুষদের সবসময় ফোনে কল দিই না আমরা। দেখা যায়, দরকারি কথাটা মেসেজ করেই জানানো হয় সচরাচর। ক্ষুদে বার্তাগুলো মনের ক্ষুদে ক্ষুদে কথা বয়ে নিয়ে পৌছে দেয় প্রিয়জনের মোবাইলে অথবা ফেসবুক মেসেঞ্জারে। কখনো তথ্য, কখনো কাজের কথা, কখনো আবেগের এক টুকরো প্রকাশ। কিন্তু কখনো কি খেয়াল করেছেন সরাসরি কথা বলার অনেক ইতিবাচকতাই পাওয়া যায় না মেসেজে?

হোয়াটস অ্যাপ, ম্যাসেঞ্জার, ভাইবার এগুলো বেশ আধুনিক আর মজার মজার অ্যাপস। নতুন জেনারেশনের এই কুল পদ্ধতি সবসময় কিন্তু কুল ফলাফল দেয় না। অনেক সময় তৈরি করে ভুল বোঝবুঝি। অনেক সময় ওপর মানুষটি ধরতে পারেন না আপনার আবেগ। গুরুত্বের মাত্রাও বোঝা যায় না। কিভাবে এড়িয়ে যাবেন এই সমস্যাগুলো? জেনে নিন কী কারণে হচ্ছে এমন আর সমাধান পাবেন কীভাবে-

দীর্ঘসময়ের বিরতি
আপনি যখন বার্তা বিনিময়ে অভ্যস্ত তখন একটি বার্তা এলে সেটির প্রতি যথযোগ্য মনোযোগও আপনাকে দিতে হবে। দীর্ঘসময় পড়ে মেসেজের উত্তর দেওয়া আপনাদের মাঝে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি করতে পারে। এমন নয় যে, আপনাকে একেবারে সাথে সাথে উত্তর দিতে হবে। সারাক্ষণ হাতে ফোন থাকে না আমাদের। অনলাইনেও সবসময় না থাকাই স্বাভাবিক। কিন্তু একদিনের মেসেজের উত্তর পরেরদিন দেওয়া বা উত্তর দিতে ভুলে যাওয়া অনেক সময় সিরিয়াস সমস্যা তৈরি করতে পারে।

বিশাল মেসেজ
মেসেজের যোগাযোগ যত ক্ষুদ্র হয় ততই সহজবোধ্য হয়। আপনি যদি ২ লাইনের একটি মেসেজের বিনিময়ে একটি রচনা পাঠিয়ে দেন সেটা সবসময় বোধগম্য নাও হতে পারে। সহজ হিসেব। ভেবে দেখুন, লেখা পড়ে আবেগ, গুরুত্ব এসব বোঝা কিন্তু খুবই কঠিন। তা শুধুই আরও কিছু বিরক্তির তৈরি করে। তাই সচেতনভাবেই বিরত থাকুন।

ইমোজির অতিরিক্ত বা কম ব্যবহার
গবেষণায় দেখা গেছে, ইমোজির ব্যবহার অনেক সময় মানুষকে রাগান্বিত করতে পারে। ম্যাসেঞ্জারে কেউ আপনাকে কিছু লিখলেন। আপনি কিছু না বলে শুধু লাইক বাটনে ক্লিক করলেন। তিনি কিন্তু বিষয়টিকে এড়িয়ে যাওয়া, গুরুত্ব না দেওয়া সহ আরও অনেকভাবে মনে করে নিতে পারেন। তাই ইমোজির ব্যবহারে সাবধান থাকুন।

অন্যকে উত্তর দেওয়ার সময় না দেওয়া
আপনার টাইপিং স্পিড ভাল। তো ম্যাসেঞ্জারে আপনি লিখেই যাচ্ছেন আর লিখেই যাচ্ছেন। আপনার প্রতিটি কথারই উত্তর আছে ওপর মানুষটির কাছে। কিন্তু তাকে লেখার সুযোগই দিচ্ছেন না। এরপর তিনি যখন লিখবেন তখন কোন কথার কি উত্তর দেবেন, এতগুলো উত্তর কিভাবে দেবেন ইত্যাদি ভেবে উত্তরই দিলেন না বা রেগে গিয়ে এলোমেলো উত্তর দিলেন। এতে ভুল বোঝবুঝি বাড়ে। অন্যকে সময় দিন।

ঠিকমত বিদায় না নেওয়া
ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটস অ্যাপ এসব অ্যাপ্স এ কথা বিনিময় অনেক সময় আলোচনায় রূপ নেয়। এত কথার পর ঠিকমত বিদায় না নেওয়া আপনার সম্পর্কে ভুল তথ্য দিতে পারে। আলোচনার মাঝে উঠে গেলে জানিয়ে উঠুন। আপনার কাজের কথা জানিয়ে বিদায় নিন। নাহলে এটি আলোচনার গুরুত্বের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রকাশ করতে পারে।