মেইন ম্যেনু

একটি পাতার ২ ফোটা রসে সারবে কান ব্যথা!

কান ব্যথা একটি সাধারণ সমস্যা হলেও অনেক যন্ত্রণাদায়ক। শীতকাল এলেই কান ব্যথা যেন মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। কান এতটাই স্পর্শকাতর জায়গা যে একটুতেই মনে হয় অসহ্য যন্ত্রণা হচ্ছে।

কান ব্যথা শুধু শিশুদের নয় বড়দেরও হতে পারে। অত্যধিক কান ব্যথা, শুনতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে এবং সুস্থ জীবনযাপনে সমস্যার কারণ হতে পারে।

তবে এ ব্যপারে নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে সাহায্য গ্রহণ ছাড়াও, কান ব্যথা ঘরোয়া উপদান বা পুদিনা পাতার দুই ফোটা রসে সেরে যাবে! কী বিশ্বাস হচ্ছে না তো। তাহলে দেরি কেন? আসুন জেনে নিই কীভাবে ঘরোয়া উপাদানে কান ব্যথা সারে?

তবে এর আগে জেনে নিই কান ব্যথার কারণ, লক্ষণ ও উপসর্গ :

কারণ : স্বল্পমেয়াদী/দীর্ঘমেয়াদী কানের সংক্রমণ, চোয়ালের বাত, কানে মোম জমে বা কোনো বস্তু কানে আটকে গেলে, কানে আঘাত, কানের পর্দায় ফুটো, গলা ব্যাথা এবং সাইনাস সংক্রমণে কান ব্যথা হয়।

লক্ষণ : বাহ্যিক কানের খালের মধ্যে ব্যথা, কান চুলকানো, ভন ভন শব্দ শোনা, ফোলা, কান অবরুদ্ধ, কানে ব্যথা, কান থেকে তরল স্রাব বের হওয়া।

উপসর্গ : বিশেষ জ্বর, খিদে না পাওয়া, অস্বস্তিবোধ (বিশেষ করে ছোট শিশুদের মধ্যে), মাথা ঘোরা এবং তীব্র ব্যথা অনুভব করা বিশেষ করে শুয়ে থাকা অবস্থায়।

তাহলে এবার আসুন জেনে নিই প্রাকৃতিক/ঘরোয়া উপয়ে পরিচর্যায় আপনার কান ব্যথা কীভাবে সারবে?

পুদিনা পাতা : বিটা-ক্যারোটিন, ভিটামিন সি, ইউগেনল, বর্নেওল, ইত্যাদি ধারণকারী পুদিনা পাতায় আশ্চর্যজনক ব্যাকটেরিয়ারোধী এবং জীবাণুমুক্ত বৈশিষ্ট্য আছে যা কান ব্যথার চিকিৎসায় উপকারী তা প্রমাণিত হয়েছে। কানে ব্যথা হলে দুই ফোঁটা পুদিনা পাতার রস কানের ভিতরে প্রয়োগ করুন। দেখবেন দ্রুত কান ব্যথা ভালো হয়ে গেছে।

সরিষার তেল : সরিষার তেলও বলা হয় ব্যাকটেরিয়ারোধী বৈশিষ্ট্য আছে এবং কান ব্যথার তীব্রতা কমাতে পারে। সংক্রমিত কানে ২-৩ ফোঁটা গরম সরিষার তেল ঢালুন এবং তা বসতে দিন। ব্যথা সেরে যাবে।

রসুন : রসুনে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে এবং ব্যাকটেরিয়ারোধী বৈশিষ্ট্য আছে যা কানের ব্যথা সারাতে সাহায্য করে। একটু জলে নুন ও সেদ্ধ করা কিছু রসুনের কোয়া (২-৩টি) চটকে নিন। এটি একটি ফ্লানের বা উলের কাপড়ে মুড়ে নিয়ে ব্যথা সংক্রমিত কানের ওপর রাখুন।

গরম সেঁক : কান ব্যাথা কমাতে এবং আরাম পেতে, একটা পরিষ্কার তোয়ালে উষ্ণ জলে ভিজিয়ে প্রায় ২০ মিনিট ধরে সংক্রমিত কানের কাছে কম্প্রেস করুন।

পেঁয়াজের রস : একটি তুলার বল পেঁয়াজের রসে ডুবিয়ে সংক্রমিত কানে চেপে ধরুন। এতে উপকার পাবেন।

ভিটামিন সি এবং জিংক সমৃদ্ধ খাবার : কানের ব্যথা কমাতে আপনার খাদ্যের মধ্যে ভিটামিন সি এবং দস্তা সমৃদ্ধ খাবার অন্তভুর্ক্ত করুন যেমন লেবু, কমলালেবু, পেয়ারা, স্ট্রবেরি, পেঁপে, কাজু বাদাম এবং গম।

খনিজ তেল : সাঁতারের সময় অনেকেই কানের লালভাব বা কান ব্যথা অনুভব করে থাকেন। এ সমস্যা এড়ানোর জন্য, সাঁতারের আগে কানে কয়েক ফোঁটা খনিজ তেল খুব সহায়ক হতে পারে।

চিউইং গাম : মিছরি বা চুইংগাম চাপ মুক্ত করে কান খুলে দেয় ও ব্যথা নিরাময় করে।