মেইন ম্যেনু

এখন একটি সফটওয়ার ইনস্টল করলেই কম্পিউটার হবে টাচস্ক্রিন

যে কোনো ডেস্কটপ অথবা ল্যাপটপ স্ক্রিনকে টাচস্ক্রিনে পরিণত করতে সক্ষম, এমন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষার্থী মো. হানিফ আলী সোহাগ।

কুয়েটের ‘তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক কৌশল’ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের এই শিক্ষার্থীর স্বপ্ন প্রযুক্তিবিদ হওয়ার। যখন শখের বশেই তিনি ইমেজ প্রোসেসিংয়ের কাজ শিখছিলেন তখন মাথায় আসলো এটা দিয়ে নতুন কিছু করা যায় কি না। এমন চিন্তা থেকেই তার মনে হলো, যদি যেকোনো সাধারণ ডেস্কটপ কিংবা ল্যাপটপের স্ক্রিনকে টাচস্ক্রিনে পরিণত করা যায় তাহলে কেমন হয়! আর তাও যদি অল্প মূল্যে করা যায়।

সেই চিন্তা মাথায় নিয়েই কাজে নেমে পরা। ঘটনাটা ২০১৫ এর মাঝামাঝি, সোহাগ তৈরি করে ফেলল ‘ল্যাপ টাচ’ নামক এক সফটওয়্যার। যার কল্যাণে যেকোনো সাধারণ ডেস্কটপ কিংবা ল্যাপটপের স্ক্রিনকে টাচস্ক্রিনে পরিণত করা যাবে ।

যেখানে টাচস্ক্রিন ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কিনতে অনেক অর্থ ব্যয় করতে হয়, সেখানে মাত্র ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা খরচ করে যে কেউ তার ডেস্কটপ কিংবা ল্যাপটপের স্ক্রিনকে টাচস্ক্রিনে পরিণত করতে পারবেন। এই প্রযুক্তি সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে টাচস্ক্রিন ব্যবহার এর আনন্দ এনে দিতে পারবে ।

কম্পিউটারে টাচস্ক্রিনের এই সুবিধাটি পেতে প্রথমেই ইনস্টল করতে হবে ল্যাপটাচ নামের সফটওয়ারটি। যে ডেস্কটপ বা ল্যাপটপে এটি ব্যবহার করতে হবে, ওয়েবক্যামের ক্যামেরা সেটির স্ক্রিনের দিকে রাখতে হবে। এরপর একটি লাইট ব্যবহার করে উপভোগ করা যাবে টাচস্ক্রিনের সুবিধা।

সম্প্রতি খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘ইন্টার ইউনিভার্সিটি টেক ফিয়েস্তা’-তে ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীর মধ্যে সফটওয়্যার ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অধিকার করে নেয় সোহাগ এর ল্যাপ টাচ।

সোহাগ বলেন, তিনি প্রযুক্তিটিকে ছড়িয়ে দিতে চান সমগ্র বিশ্বে । এর জন্য কোনো প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এলে এটা বাজারজাতকরণ তার জন্য সহজ হতো। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে তার আবিষ্কৃত প্রযুক্তি অবদান রাখবে এমনটাই প্রত্যাশা সোহাগের।