মেইন ম্যেনু

এবার গেইলের টার্গেট ৫৫ ছক্কা!

ছক্কা মারতে জুড়ি নেই ক্রিস গেইলের। সারাবিশ্বে টি-টোয়েন্টি ফেরি করে বেড়ানো ক্রিস গেইল বিপিএলের সবগুলো আসরেই অংশ নিয়েছেন। যদিও ম্যাচ খেলেছেন খুব কম ম্যাচেই। আর সেখানে ছক্কার ফুলঝুড়ি ফুটিয়েছেন। প্রথম ও তৃতীয় আসরে বরিশাল হয়ে মাঠ মাতিয়েছিলেন গেইল। মাঝে অবশ্য গিয়েছিলেন ঢাকার কাছে। চতুর্থ আসরে আবার দল পাল্টে চিটাগংয়ের নাম লিখিয়েছেন। টুর্নামেন্টের অর্ধেক শেষ হয়ে যাওয়ার পর শুক্রবার বিকালে ঢাকায় পা রেখেছেন এই ব্যাটিং দানব। আর নেমেই হুংকার ছেড়েছেন এবারের বিপিএলে চিটাগাং ভাইকিংসের বাকি চার ম্যাচেই ৫৫টি ছক্কা মারবেন তিনি।

গত তিন আসরে বিপিএলের সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরিও এসেছে ক্রিস গেইলের ব্যাট থেকে। ১০ ম্যাচে তিন সেঞ্চুরিতে তার রান সংখ্যা ৫৪১। বিপিএলে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ছক্কা (৫০) ক্রিস গেইলের। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সাব্বির রহমান গেইলের চেয়ে পিছিয়ে ১৪ ছক্কায়। এমনকি এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছক্কা মারার কৃর্তিটাও তার দখলেই। ইনিংসে ছক্কা মারার শীর্ষ চারের আছেন একজনই। বিপিএলের দ্বিতীয় আসরে সিলেট রয়্যালসের বিপক্ষে ক্রিস গেইল ১২ ছক্কা ও ৫ চারের সাহায্যে ১১৪ রানের বিস্ফোরক ব্যাটিং করেছিলেন। ওটাই বিপিএলে গেইলের সর্বোচ্চ সংগ্রহ।

এবারও এই ধারা অব্যহত রাখতে চান ক্রিস গেইল। ১০ ম্যাচে ৫০ ছক্কা মারা গেইল এবার চার ম্যাচে ৫৫ ছক্কা মারতে চান, ‘১০ ইনিংসে ৫০ ছক্কা। এবার ৪ ইনিংসে ৫৫টি ছক্কা মারতে পারি! আসলে আমি তো ছক্কার জন্যই পরিচিত। সিক্স মেশিন হিসেবে চেনে লোকে। এটাই আমি সবচেয়ে ভালো পারি, ছক্কা মারতে। চেষ্টা করি যতটা সম্ভব বিনোদন দিতে। আশা করি কালকের (রবিবার) উইকেট ভালো হবে। খেলায় ফিরে প্রথম ম্যাচে কিছুটা নার্ভাস হয়তো থাকব। তবে সেটাই জীবন। আমি উপভোগ করতে চাই। এখানকার দর্শকও রোমাঞ্চিত, আমি জানি। দর্শকের এনার্জিটাও আমি নিতে চাই, সেটা আমার জ্বালানি। লোকে যখন আমার কাছে ছয় চায়, চিৎকার করে, সেটা আমাকে ভালো করতে অনুপ্রেরণা জোগায়।’

বেশ আমুদে স্বভাবের ক্রিস গেইল পার্টির চেয়ে ছক্কাই বেশি উপভোগ করেন, ‘অবশ্যই ছক্কা মারা। কারণ ছক্কা মারলে লাখ লাখ লোককে খুশি করা যায়। তবে পার্টি করতেও ভালো লাগে। তবে মাঠে নেমে আমি চাই যত বেশি সম্ভব ছক্কা মারতে। এখন বয়সও হয়েছে কিছুটা, অনেক ট্রাভেলিংয়ের ধকল আছে। এখান এসে স্রেফ একদিন অনুশীলনেই মাঠে নামার কাজটা কঠিন। তবে আমাকে দ্রুত এর সঙ্গে মানিয়ে নিতেই হবে।’