মেইন ম্যেনু

দাবি উঠেছে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের

কলারোয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ॥ ৮ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ভস্মিভুত

unnamed-3

কামরুল হাসান, কলারোয়া: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বৈদ্যুতিক শট সার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের সৃষ্টি হয়ে ৮ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ভস্মিভুত হয়েছে। অগ্নিকান্ডের ঘটনাটি ঘটেছে কলারোয়া-সরসকাটি সড়কের ধারে (কলাগাছি মোড়) শ্রীপতিপুর গ্রামের এড. আলি হোসেনের বাড়িতে। এ সময় এলাকার শতশত মানুষ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার ভোর রাত সাড়ে ৩টার দিকে তিন তলা (নির্মাণাধীন) ওই বাড়ির নিচ তলার ভাড়াটিয়া আবুল কালাম আজাদ ও তার পরিবার যখন গভীর ঘুমে মগ্ন তখন ফ্রিজের বৈদ্যুতিক শট সার্কিট থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত ঘটে। ভোর ৫টার দিকে সাতক্ষীরা থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম এসে প্রায় ঘন্টাখানেক চেষ্টা চালিয়ে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রনে আনেন।

ক্ষতিগ্রস্ত আবুল কালাম আজাদ উপজেলার গাজনা গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে নভেলটি, মাসাফি ব্রেড এন্ড বিস্কুট, মাদার, সনিক প্রাইম গ্রুপ, জে.টি.এ ফুড ও লাবনী ম্যাংগো ফুডের পরিবেশক/ডিলার হওয়ায় বাসা বাড়ির সবখানে ওইসব কোম্পানীর বিভিন্ন ধরণের পণ্য সামগ্রী মজুদ রেখে ছিলেন। অগ্নিকান্ডে ওই সকল মালামালসহ ফ্রিজ, কালার টিভি, গ্যাসের চুলা, রাইসকুকার, বিভিন্ন আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ সময় আগুন দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকায় ওই বাড়ির মালিক তার পরিবারসহ ভাড়াটিয়া সকলে কোন রকমে প্রাণ রক্ষার্থে সিঁড়ি দিয়ে নির্মাণাধীন তিন তলার ছাদে উঠে পার্শ্ববর্তী একতলা ভবনের ছাদে লাফিয়ে পড়ে জীবন রক্ষা করেন। লাফিয়ে পড়ার সময় বাড়ির মালিকের ছেলে শোভন ও শাওনসহ কয়েকজন কম বেশি আহত হন। আহত শোভনকে সাথে সাথে হাসপাতালে নেয়া হয়।

থানার অফিসার ইনচার্জ এমদাদুল হক শেখ অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে সাথে সাথে এসআই রফিকের নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠান। ওই রাতে তারা ঘটনাস্থলে এসে জানমাল রক্ষায় ব্যাপক সহযোগিতা করেনে। এঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি থানায় একটি জিডি করেছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে, ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ঘটার দীর্ঘ সময় পরে সাতক্ষীরা থেকে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসায় আবারও সচেতন মহল সরকারের কাছে কলারোয়াতে অতিদ্রুত একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন করার জোর দাবি তুলেছেন। তা না হলে ভবিষ্যতে অগ্নিকান্ডে বড় ধরণের ক্ষতির সম্মুখিন হবে কলারোয়াবাসী।