মেইন ম্যেনু

কারা থাকছেন মার্কিন মন্ত্রিসভায়?

trump-ap_c0-0-675-394_s561x327

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রশাসনে কাকে কোন পদে রাখছেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা-কল্পনা। নির্বাচনী প্রচারে রিপাবলিকান পার্টির প্রভাবশালী সদস্যরা মুখ ফিরিয়ে নেয়ার পর এখন তাদের প্রতি ট্রাম্প ‘পাল্টা এক হাত’ নিতে পারেন বলে ধারণা করছে দেশটির গণমাধ্যমগুলো। মার্কিন প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি পদ ছাড়াও প্রায় ৪ হাজার সরকারি পদ রয়েছে। সিএনএন জানায়, প্রচারের পুরো সময় ধরে বিশ্বস্ত ও ঘনিষ্ঠ ছিলেন এমন ব্যক্তিদের শীর্ষ পদে আনছেন নতুন প্রেসিডেন্ট।

হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তা
চিফ অব স্টাফ
যুক্তরাষ্ট্রের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভের সাবেক স্পিকার নিউট গিংরিচকে চিফ অব স্টাফ পদে দেখা যেতে পারে বলে ধারণা করছে সিএনএন। এছাড়া নিউ জার্সির গভর্নর ক্রিস ক্রিসটি, নিউইয়র্কের সাবেক মেয়র রুডি জুলিয়ানি বা রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির (আরএনসি) চেয়ারম্যান রিয়েন্স প্রাইবাসও আছেন আলোচনায়।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা
অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল মাইকেল ফ্লিনকে নতুন প্রশাসনে ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা করা হতে পারে বলে ধারণা করছে রয়টার্স। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক প্রধান ফ্লিন, ট্রাম্পের বেশিরভাগ প্রচার সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন।

যোগাযোগ ব্যবস্থাপক
নতুন প্রেসিডেন্টের যোগাযোগ ব্যবস্থাপক হিসেবে দেখা যেতে পারে তার প্রচার শিবিরের এ সংক্রান্ত জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জেসন মিলার বা দলের মুখপাত্র হোপ হিকসকে।

হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র
আরএনসির জ্যেষ্ঠ কৌশলবিদ শন স্পাইসার বা রিপাবলিকান দলের প্রচারণা শিবিরের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জেসন মিলারকে দেখা যেতে পারে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র (প্রেস সেক্রেটারি) পদে।

সিনিয়র উপদেষ্টা
দলের প্রচার শিবিরের ম্যানেজার ক্যালিয়ানে কনওয়েকে করা হতে পারে ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা। এ তালিকায় আরও থাকতে পারেন তার প্রচার শিবিরের প্রধান নির্বাহী স্টিফেন ব্যানন, আরএনসির চেয়ারম্যান রিয়েন্স প্রাইবাস, প্রচার শিবিরের সহকারী ব্যবস্থাপক ডেভিড বসি বা হোপ হিকস।

মন্ত্রণালয়
প্রতিরক্ষামন্ত্রী
কংগ্রেসে ট্রাম্পের কট্টর সমর্থক হিসেবে পরিচিত আলাবামার রিপাবলিকান সিনেটর জেফ সেশনসকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পদে মনোনয়ন দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। তিনি না হলে একই জায়গায় আসতে পারেন আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইন্সটিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো জিম ট্যালেন্ট, অ্যারিজোনার সাবেক সিনেটর জন কাইন বা হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে নির্বাচিত রিপাবলিকান প্রতিনিধি ডানকান হান্টারকেও।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সিনেটর জেফ সেশনসকেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী পদে বসাতে পারেন ট্রাম্প। আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইন্সটিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো জন বল্টন বা কাউন্সিল অব ফরেন রিলেশনের প্রেসিডেন্ট রিচার্ড হাসকেও দেখা যেতে পারে এ পদে। রুডি জুলিয়ানি, নিউট গিংরিচ বা সিনেটর পররাষ্ট্র সম্পর্কবিষয়ক কমিটির চেয়ার বব কোর্কারকেও এই পদে দেখা যেতে পারে।

অ্যাটর্নি জেনারেল
সিনেটর জেফ সেশনসকেও করা হতে পারে অ্যাটর্নি জেনারেল। অথবা এ পদে আরও থাকতে পারেন ক্রিস ক্রিসটি ও রুডি জুলিয়ানির নামও শোনা যাচ্ছে।

সিআইএ পরিচালক
রুডি জুলিয়ানি হতে পারেন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা বা সিআইএর পরিচালক। অথবা এ পদে আসতে পারেন জেফ সেশন কিংবা ক্রিস ক্রিনটিও। হাউস পার্মানেন্ট সিলেক্ট কমিটি অন ইন্টেলিজেন্সের সাবেক চেয়ারম্যান মাইক রজার্সকে দেখা যেতে পারে সিআই পরিচালক হিসেবে।

শিক্ষা বা স্বাস্থ্য ও মানবসেবামন্ত্রী
অবসরপ্রাপ্ত নিউরো সার্জন বেন কার্সনকে দেখা যেতে পারে শিক্ষামন্ত্রী বা স্বাস্থ্য ও মানবসেবামন্ত্রী পদে।

অর্থমন্ত্রী
গুরুত্বপূর্ণ অর্থমন্ত্রী পদে ট্রাম্প ব্যবসায়ীদের বসাতে পারেন বলে ধারণা করছে সিএনএন। এক্ষেত্রে তার পছন্দের তালিকায় আছেন আইকান এন্টারপ্রাইজের চেয়ারম্যান ও যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম শীর্ষ ধনী কার্ল আইকান। এ পদে দেখা মিলতে পারে ডুন ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের প্রধান নির্বাহী ও কো-চেয়ারম্যান স্টিভেন ম্নুচেনকেও।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রুডি জুলিয়ানিকে দেখা যেতে পারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে।

জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত
জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মুখপাত্র রিচার্ড গ্রেনেল হতে পারেন জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত।

পছন্দের এসব ব্যক্তির বাইরেও ট্রাম্প তার প্রতিষ্ঠান কিংবা ঘনিষ্ঠ অন্যদের নিয়োগ দিয়ে চমকে দিতে পারেন বলে গুঞ্জন আছে।



« (পূর্বের সংবাদ)