মেইন ম্যেনু

কুমিল্লাকে ১৪৫ রানের লক্ষ্য দিল খুলনা

বিপিএলের উইকেট হঠাৎ করেই যেন বদলে গেছে। স্লো উইকেটের পরিবর্তে এখন হয়ে গেছে ফ্ল্যাট উইকেট। ব্যাটসম্যানের ব্যাটে রান আসছে। উপভোগ্য হয়ে উঠছে বিপিএলের ম্যাচগুলো। তবে, আজ (রোববার) দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে কুমিল্লার বোলারদের সাঁড়াসি বোলিংয়ের সামনে বড় ইনিংসের ইঙ্গিত দিয়েও খুব বেশিদুর এগুতো পারেনি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের খুলনা টাইটান্স। ৯ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ১৪৪ রান।

টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন কুমিল্লার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। আমন্ত্রিত হয়ে ব্যাট করতে নেমে অবশ্য খুলনাকে শুভ সূচনাই এনে দিয়েছিলেন আন্দ্রে ফ্লেচার এবং হাসানুজ্জামান। ৪.৪ ওভারেই ৪৫ রানের জুটি গড়ে ফেলেন তারা।

তবে এ সময় খুলনার ইনিংসের ওপর আঘাত হানেন কুমিল্লার অধিনায়ক মাশরাফি। ১৭ বলে ২৩ রান করা আন্দ্রে ফ্লেচারকে ফিরিয়ে দেন তিনি। যদিও এরপর শুভাগত হোমকে নিয়ে ৪৭ রানের জুটি গড়েন হাসানুজ্জামান।

ইনিংসের ১১তম ওভারে এসে আবারও কুমিল্লাকে ব্রেক থ্রু এনে দেন মাশরাফি। ফিরিয়ে দেন ১৮ বলে ১৬ রান করা শুভাগত হোমকে। এর ৭ রান পর, অথ্যাৎ খুলনার ৯৯ রানের মাথায় আবারও মাশরাফির আঘাত। তার হাতে ফিরে যান কুমিল্লার জন্য মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে ওঠা হাসানুজ্জামান। ৩০ বলে ৩৭ রান করা এই ব্যাটসম্যানকে লিটন দাসের ক্যাচে পরিণত করেন মাশরাফি।

এরপর অবশ্য আর খুব বেশি প্রতিরোধ গড়তে পারেনি খুলনা। ১০ ওভারে যে দলটির পার হয়েছিল ১ উইকেটে ৯২ রান, সেই দলটি ২০ ওভার শেষে রান তুলতে পারলো ৯ উইকেটে ১৪৪। অথ্যাৎ শেষ ১০ ওভারে রান তুলেছে মাত্র ৫২।

শেষ দিকে খুলনার ইনিংসে ঝড় তোলেন পাকিস্তানি সোহেল তানভির। মাশরাফির পর তিনিও নেন ৩ উইকেট। এছাড়া নাজমুল হোসেন শান্ত নেন ২ উইকেট এবং ১ উইকেট নেন রশিদ খান। যদিও রশিদ খান রান দিয়েছেন অনেকটাই কম, ২৫। সোহেল তানভির দেন আরও কম, ৪ ওভারে ১৯।