মেইন ম্যেনু

কোনো ব্যক্তিকে গুলি করাটা ‘স্রেফ একটা ফান, বলেছিলেন ট্রাম্পের প্রতিরক্ষামন্ত্রী!

1480652984

ট্রাম্প প্রশাসনের ঘোষিত প্রতিরক্ষামন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত নৌ কর্মকর্তা জেনারেল জেমস ম্যাটিস ‘ম্যাড ডগ’ নামে পরিচিত। ‘ধ্যানমগ্ন যোদ্ধা’ হিসেবেও পরিচিতি রয়েছে তার। আফগান ও ইরাক আগ্রাসনে মার্কিন বাহিনীর হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই নৌ কর্মকর্তা। তবে মানুষকে গুলি করা তার কাছে তেমন কোনও ব্যাপার না; এমন মন্তব্য করে একবার ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিলেন তিনি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক খবরে সম্প্রতি বলা হয়, ২০০৫ সালে স্যান ডিয়েগোতে নৌ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে একটি বিতর্কিত মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েন ম্যাটিস। তিনি বলেছিলেন, ‘কোনও ব্যক্তিকে গুলি করাটা ‘স্রেফ একটা ফান’’।

ইরাক যুদ্ধের সময় ২০০৪ সালে ফালুজার লড়াইয়ের মতো সবচেয়ে রক্তাক্ত লড়াইয়ে নৌসেনাদের নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে প্রশংসিত তিনি। কমান্ডার অব অ্যা মেজর হিসেবে ন্যাটোর স্ট্রাটেজিক কমান্ডেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

সোজা-সাপ্টা কথা বলা নেতা হিসেবে পরিচিত ম্যাটিস ২০১০ সালে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড পরিচালনার দায়িত্ব পান। এ পদে আসীন ব্যক্তির দায়িত্ব হলো মধ্যপ্রাচ্যে নিয়োজিত সকল মার্কিন বাহিনীকে পরিচালনা করা। ইরান পারমাণবিক চুক্তির কঠোর সমালোচকও ছিলেন তিনি।

গত ২০ নভেম্বর (রবিবার) সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন ম্যাটিস। বলা হয়, শনিবার বিকেলে নিউ জার্সির বেডমিনস্টারে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বৈঠক করেন ট্রাম্প ও ম্যাটিস। বৈঠকটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে সিএনএন-এর কাছে দাবি করেছেন ওই সূত্র। সেইসঙ্গে ম্যাটিসকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী করার কথা ভাবা হচ্ছে বলে তিনি শুনেছেন বলেও দাবি করেন। সিএনএন-এর সূত্র আরও জানিয়েছেন, ম্যাটিসকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী করা হচ্ছে কিনা তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে ট্রাম্প তার ওপর খুব খুশি।

শুক্রবার ওহাইয়োতে সমর্থকদের এক র‌্যালির ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেন ট্রাম্প। ম্যাটিস সম্পর্কে ট্রাম্পের মন্তব্য: ‘তিনিই সেরা’।
মার্কিন নৌবাহিনীতে ৪৪ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন ম্যাটিস। ২০০১ সালে আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলে কম্ব্যাট কমান্ডার হিসেবে একটি টাস্কফোর্সকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। পরে ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধের সময় একটি মেরিন ডিভিশনেরও নেতৃত্ব দেন ম্যাটিস।