মেইন ম্যেনু

খাদিজাকে আইসিইউ থেকে কেবিনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত চিকিৎসকদের

ed3be6d0038e1264d89b251d974ebe67-1-1-04-10-16-khadiza-1

শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটনায় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) থেকে খাদিজা বেগম নার্গিসকে কেবিনে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসকরা। বুধবার এ সিদ্ধান্তের কথা জানান স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক এ এম রেজাউস সাত্তার।

হাসপাতালের চিকিৎসক ও খাদিজার পরিবার জানায়, শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটায় তিনদিন ধরে গোঙানির মতো শব্দসহ নিচু স্বরে ধীরে ধীরে কথা বলতে পারছেন নার্গিস।

স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক এ এম রেজাউস সাত্তার বলেন, কেবিন খালি হলেই তাকে নেওয়া হবে। পরিবারের সঙ্গ পেলে শারীরিক ও মানসিক উন্নতি দ্রুত ঘটবে। খাদিজা এখন কথা বলছে, পরিবারের সদস্যদের চিনতে পারছে। তবে মাঝে মাঝে চিনতে না পেরে আবার অসংলগ্ন কথা বলছে।

মাথায় বড় ধরনের আঘাত পাওয়ায় এ অবস্থা তৈরি হলেও ধীরে ধীরে তা সেরে যাবে বলে মনে করছেন এই চিকিৎসক।

এদিকে নার্গিসের বাম পাশ এখনও অবশ রয়েছে বলেও তিনি জানান। তিনি মনে করেন, অবস্থার পরিবর্তন লক্ষ করতে আরও দুই মাস অপেক্ষা করতে হবে।

নার্গিসের বাবা মাশুক মিয়া বলেন, মঙ্গলবার আমাকে বাবা বলে ডেকেছে। দুই দিন ধরে গোঙানির মতো আওয়াজ করছিল। সবসময় আমাদের চিনতে পারছে না।

প্রসঙ্গত, ৩ অক্টোবর সিলেট এমসি কলেজের পুকুর পাড়ে সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিসকে চাপাতি দিয়ে নৃশংসভাবে উপর্যুপরি আঘাত করে বদরুল আলম নামে ছাত্রলীগের এক নেতা। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবি) ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ও অর্থনীতি বিভাগের অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্র এই বদরুল। হাতে নাতে আটক বর্বর হামলাকারী বদরুলকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা করে জনতা।

চাপাতির আঘাতে আহত খাদিজাকে প্রথমে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ৪ অক্টোবর ভোরে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে আনা হয়। ওই দিনই নার্গিসের অস্ত্রোপচার করা হয়। সর্বশেষ গত সোমবার তার ‘মাসল চেইন’ কেটে যাওয়া ডান হাতে অস্ত্রোপচার করেন চিকিৎসকরা।

আহত খাদিজা বেগম নার্গিস ৪ অক্টোবর থেকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতাল চিকিৎসাধীন রয়েছেন।