মেইন ম্যেনু

খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে পরিচয়পত্র বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

খেতাবপ্রাপ্ত জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে প্রথমবারের মতো পরিচয়পত্র বিতরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।

সোমবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে বীরশ্রেষ্ঠদের পরিবারের সদস্য ও খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বীরশ্রেষ্ঠদের পরিবারের সদস্য ও অন্য খেতাবপ্রাপ্তদের সম্মানির চেক, শাল, মোবাইল ফোন-ট্যাব দেন প্রধানমন্ত্রী । যুদ্ধ ও শান্তির সময় বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য সেনাবাহিনীর পাঁচ কর্মকর্তাকে বাহিনী পদক ও ওসমানী সেবা পদক প্রদান করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী এ কে এম মোজাম্মেল হক, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মুহাম্মাদ শফিউল হক, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ ও বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধকে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ অধ্যায় অভিহিত করে বলেন, বাংলাদেশ রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করে। মুক্তিযোদ্ধারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদানের মাধ্যমে লাল-সবুজের পতাকাসহ একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছেন। এজন্য আমাদের সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ মর্যাদা প্রদর্শন ও তাদের অবদানের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে পরিচয়পত্র বিতরণ করে আজ আমি আনন্দিত।

উল্লেখ্য, খেতাবপ্রাপ্ত জীবিত মুক্তিযোদ্ধারা এ পরিচয়পত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমানে বিদেশ ভ্রমণ এবং একই এয়ারলাইন্সে জীবনে একবার হজ/ওমরাহ করার সুযোগ পাবেন। তারা বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ও ফেরিতে ভিআইপি কক্ষ ও কেবিন সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া এই পরিচয়পত্রের মাধ্যমে তারা স্বাস্থ্যসেবা এবং রেল, বিআরটিসি বাস ও ফেরিতে বিনাভাড়ায় ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।