মেইন ম্যেনু

গানে গানে প্রতিবাদ : মাগো আগুন লাগাই দিল প্রাণের সুন্দরবনে

‘মাগো আগুন লাগাই দিল প্রাণের সুন্দরবনে’, ‘আগুন লাগাইয়া দিল প্রাণের সুন্দরবনে’। এমন অনেক গানে গানে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। বাংলাদেশের ফুসফুস সুন্দরবন রক্ষায় মানুষে মানুষে সমতা আনতে এমন গান পরিবেশন করেন বিভিন্ন গানের দল ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর শিল্পীরা।

সুন্দরবন রক্ষায় তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির মহাসমাবেশ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শনিবার দুপুরে বিপ্লবী গানে মুখরিত হয়।

‘ঘুম ছাড়ো ফন্দিবাজ দেখিয়ে দেব জঙ্গিনাচ’ কৃষ্ণকলির কণ্ঠে এমন গান শুনে ঘুম ভেঙে শহীদ মিনার এলাকায় মাথায় লাল কাপড়, হাতে লাল ঝাণ্ডা, গায়ে রামপাল বিরোধী স্লোগান খঁচিত টি শার্ট পরে কর্মীরা মহাসমাবেশে যোগ দেন।

‘যারা উন্নয়নের নামে দেয়াল তুলে, তারাই মানুষে মানুষে বিভেদ তৈরি করছে’ গানের ফাঁকেফাঁকে বক্তৃতাও চলে।

‘মাগো তোর সুন্দরবন হবে না উজাড়, গো ব্যাক গেট আউট ইন্ডিয়া। আমার জমি আমার ঠিকানায় রামপাল হতে দিব না’।

চিৎকার, গায়েন, চারণ, মাদল, সাংস্কৃতিক ইউনিয়ন, বিবর্তন, সাংস্কৃতিক জোট, উদীচী, তিরন্দাজ, সমগীতসহ ১৬টি গানের দল সুন্দরবন রক্ষায় বিপ্লবী গান পরিবেশনা করে।

‘তোর বুকেতে দাঁত বসাচ্ছে, কোন দাঁতাল দৈত্য আসি’ উদীচীর পরিবেশনায় গাওয়া হয় এমন কয়েকটি বিল্পবী গান।

বিকেল ৩টার দিকে শুরু হয় সুন্দরবন রক্ষার মহাসমাবেশের বক্তৃতা। এর আগে দুপুর থেকেই চলে বিল্পবী গান।

জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও সদস্যসচিব আনু মুহাম্মদসহ জাতীয় কমিটির নেতা ছাড়াও বিভিন্ন বামপন্থী দলের নেতারা সমাবেশে বক্তব্য দেন।

জাতীয় কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের সাতটি বিভাগ থেকে জাতীয় কমিটির নেতা-কর্মীরা বেলা ১১টা থেকে সমাবেশস্থল জড়ো হয়। সেখানে জাতীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও দেশের সাংস্কৃতিক কর্মী, বুদ্ধিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে ৭ দফার কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। শেষে একটি মিছিল শহীদ মিনার থেকে শাহবাগ হয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়।