মেইন ম্যেনু

গিনেস বুকে নাম তোলা এই ব্যক্তি পশু-পাখির ‘মল’ সংগ্রহ করেন পৃথিবী ঘুরে

ডাক টিকিট থেকে শুরু করে পুরনো মুদ্রা। বই থেকে শুরু করে দুর্লভ সিনেমা। কতকিছুই না সংগ্রহে রাখার শখ থাকে মানুষের। আর নিজেদের সংগ্রহের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে পৃথিবীর দুর্গম এলাকাতেও প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে যেতে তাঁরা পিছপা হন না। পিছপা হন না কাড়ি কাড়ি টাকা ওড়াতেও। পৃথিবীর বহু বিখ্যাত সংগ্রাহক এভাবেই গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম তুলেছেন নিজেদের। কিন্তু, বিভিন্ন দেশ থেকে মল সংগ্রহ করাটা কারও শখ হতে পারে? হ্যাঁ, পারে বৈকি। তবে যে মল ইনি সংগ্রহ করেন, তার বয়স কমপক্ষে কয়েক কোটি বছর। এটা শোনার পরে অনেকেই চোখ কপালে তুলবেন। কিন্তু, চোখ কপালে তোলা ব্যক্তিদের তোয়াক্কা্ না করেই এই মার্কিন ব্যক্তি গিনেস বুকে নিজের নাম তুলে ফেলেছেন ইতিমধ্যেই।

তাঁর নাম জর্জ ফ্র্যান্ডসেন। পড়াশোনা করেছিলেন প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে। কলেজজীবন থেকেই মলের জীবাশ্ম সংগ্রহ করা শুরু করেন। বিশ্বের মোট ন’টি দেশ ঘুরে তিনি সংগ্রহ করেছেন বিভিন্ন প্রাণীর ১ হাজার ২৭৭টি প্রাগৈতিহাসিক মলের টুকরো। আর মাত্র ৩৬ বছর বয়সেই গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম তুলেছেন ফ্র্যান্ডসেন। তাঁর সংগ্রহে থাকা মলের জীবাশ্মগুলো পাথরের মতো শক্ত এবং এর থেকে কোনও দুর্গন্ধও বের হয় না।

এদিকে গিনেস বুকে নাম তোলার আগে তাঁর সংগ্রহের প্রতিটি মলের টুকরো পরীক্ষা করেছেন প্রত্নতত্ত্ববিদরা। তাঁর সংগ্রহগুলি ইতিমধ্যেই স্থান পেয়েছে অ্যামেরিকার সাউথ ফ্লোরিডা মিউজ়িয়ামে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের আগামী বছরের এডিশনে তাঁর এই সংগ্রহ স্থান পাবে বলে জানা গিয়েছে।- এবেলা