মেইন ম্যেনু

ঘরোয়া উপায়ে মেছতার সমাধান

সুন্দর ফর্সা মুখে কালো মেছতার দাগ আপনাকে অসস্তিতে ফেলছে। তবে এতে চিন্তার কিছু নেই। মেলানিনের আধিক্য হলে ত্বকের কিছু কিছু জায়গায় গাঢ় কালো দাগ বা কালো ছোপ ছোপ দাগ পড়ে। একে মেছতা বা মেলাজমা বলে।

কপাল, নাক, উপরের গাল, ঠোঁট ইত্যাদি জায়গায় মেছতা দেখা যায়। যে কেউ মেছতায় আক্রান্ত হতে পারে। সাধারণত ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সের নারীদের মুখে বেশি মেছতা দেখা যায়।

মেছতা থেকে আপনি দ্রুত মুক্ত হতে চাইছেন। কিন্তু উপায় পাচ্ছেন না। আসুন জেনে নিই মেছনা কারণ ও তার প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া প্রতিকার-

মেছতার কারণ

* হরমোনের অস্বাভাবিকতা।

* মেছতার অন্যতম কারণ সূর্যরশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব।

* গর্ভাবস্থায় অনেক সময় মেছতা আসে।

* জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল গ্রহণ।

* থাইরয়েড সমস্যায় ব্যবহৃত ওষুধের কারণেও মেছতা হতে পারে।

* মেকআপ ও কসমেটিকস ব্যবহারের জন্য মেছতা হতে পারে।

মেছতার কোনো স্থায়ী সমাধান নেই। চিকিৎসার মাধ্যমে সাময়িকভাবে দাগ চলে যায় বা হালকা হয়। তবে ঘরোয়া কিছু নিয়ম মেনে চললে মেছতা ভালো হয়ে যায়। নিম্নে ঘরোয়া কিছু উপায় জানানো হলো :

* অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী পাতার জেল এবং গাজর সেদ্ধ একসঙ্গে পেস্ট করে আক্রান্ত স্থানে আঙ্গুলের ডগার সাহায্যে আস্তে আস্তে মেছতায় লাগাতে হবে। এ মিশ্রণ পুরো রাতে লাগালে মেছতার দাগ চলে যাবে।

* ৪ টেবিল চামচ হলুদের পেস্ট, ১০ টেবিল চামচ দুধ ও ২ টেবিল চামচ ছোলার ডালের বেসন মিশিয়ে নিন। এবার মিশ্রণটি দাগের ওপর পুরু করে লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। এরপর পানি দিয়ে পরিষ্কার করে ধুয়ে ফেলুন।

* সমপরিমাণ পেঁয়াজের রস ও অর্গানিক ভিনেগার মিশিয়ে দিনে ৩ বার ব্যবহার করুন। উপকার পাবেন।

* মুলতানি মাটি গুঁড়া করে বের হওয়ার ১০ মিনিট আগে পাফ করে মুখে লাগিয়ে নিন। এতে রোদ থেকে ত্বক রক্ষা পাবেন।

* দিনে দু’বার আমন্ড ওয়েল মালিশ করুন। এরপর ছোলার ডালের বেসন মেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

* হজমের গণ্ডগোল যাতে না হয় সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। বেশি মশলাদারযুক্ত ও চর্বিজাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো।

* রোদকে এড়িয়ে চলুন। অতি বেগুনি রশ্মি হতে ত্বক বাঁচাতে হবে। রোদে বের হলেই ছাতা, সানগ্লাস ব্যবহার করুন। বাইরে বের হওয়া আগে ব্যবহার করতে হবে সানস্কিন।