মেইন ম্যেনু

ঘুমকে বশ করার মন্ত্র

ঘুম আপনার সারা দিনের ক্লান্তিতে ভরা শরীরকে শক্তি যোগায়। আপনি সারা দিন কত কাজ করলেন আর কী কী করলেন তার প্রভাব শরীর বুঝতে পারে একটা ঘুমহীন রাত কিংবা লম্বা ঘুমের পর। তবে এই ঘুমের দেখা পাওয়ায় মাঝেমধ্যে অমাবস্যার চাঁদ হয়ে দাঁড়ায়। তবে কিছু ব্যাপার মাথায় রাখলে আপনি বেশ সহজেই ঘুমকে বসে আনতে পারবেন। আর তা না হলে এই মরীচিকা আপনার কাছে সোনার হরিণে পরিণত হবে।

বিছানায় যাবার সময়
আপনার ঘুমের ওপর অনেকাংশে নির্ভর করে আপনার ঘুমোতে যাবার সময়। আর কিছু ক্ষেত্রে আপনার ক্লান্তি তাতে যোগ করতে পারে নতুন কোনো মাত্রা। তাই ঘুমোতে যাবার সময় নির্ধারণ করুন। ঠিক সেই সময়েই বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়ুন। ঘুম না এলেও। এতে আপনার মস্তিষ্ক একটি এলার্ম সিস্টেমে নির্দেশনা পাবে। এছাড়া আপনি ক্লান্ত বেশি হয়ে থাকলে গরম পানি দিয়ে গোসল করে নিতে পারেন যা আপনাকে ঘুমোতে সাহায্য করবে।

অন্ধকার
আলো জ্বালানো থাকলে আমাদের শরীরের সিকাডিয়ান এর মাধ্যমে এক ছন্দের উৎপত্তি ঘটে না। কিন্তু আলো নেভালো থাকলে এটি আমাদের মস্তিষ্কে একটি সংকেত পাঠায় যে আমাদের শরীরের এখন ঘুমের প্রয়োজন এবং শরীর ঘুমের জন্য প্রস্তুত। তাই ঘুমের জন্য অবশ্যই সবার আগে যা প্রয়োজন তা হচ্ছে আলোহীন রুম।

অতিরিক্ত ব্যয়াম
যাদের ঘুম খুব পাতলা, অল্প আওয়াজেই কিংবা আলোতে ঘুম ভেঙ্গে যায় তারা এই বিষয়টি মাথায় রাখতে পারেন। দরকারের চেয়ে খানিকটা বেশি ব্যায়াম করলে আমাদের শরীর কিছুটা ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ফলে ঘুমের সেই সময়টিতে আপনাকে ঘুম থেকে কেউ আলাদা করতে পারে না। তাই যাদের ঘুম আসে না তারা প্রতিদিন একটু বেশি করে ব্যায়াম কিংবা কায়িক শ্রম করুন।

বিছানা
বিছানায় বসে খাবার খাওয়া, বন্ধুদের সাথে আড্ডা আবার পড়াশুনা এসব করলে আপনার কাছে সেই স্থানটিকে কেবল ঘুমের জন্য নাও মনে হতে পারে। আপনার অবচেতন মন আপনাকে কেবলই বুঝাবে যে আপনি যেখানে ঘুমাচ্ছেন তা কেবল ঘুমের জন্য নয় আর আপনি সারা দিন কী কী করেছেন এখানে তা মনে করাবে। তাই ঘুমানোর যে বিছানা তা কিছুটা আলাদা করেই রাখুন।

খাওয়া
আপনি যখন ডায়েট করছেন তখন এই খাদ্যভাস আপনার ঘুম না আসার কারণও হতে পারে। তাছাড়া ঘুমোতে যাওয়ার আগে একদম খালি পেটে কিংবা চা কফি কারো কারো ঘুম না আসার কারণ হতে পারে। তাই ঘুমানোর দুই ঘণ্টা আগে কিছু খাবার প্রয়োজন।