মেইন ম্যেনু

চট্টগ্রাম টেস্টে ৪ দিনে ২৩ রিভিউ!

%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f

রিভিউয়ের রেকর্ড গড়ছে চট্টগ্রাম টেস্ট। টেস্ট ক্রিকেটের জন্মদাতা ইংল্যান্ড বাংলাদেশের বিপক্ষে জিততে মরিয়া। তেমনই বদলে যাওয়া টিম টাইগার এবার নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। দুদলের মাঝে এখন ব্যবধান মাত্র ৩৩ রান এবং ২ উইকেট। যার ফয়সলা হবে আগামীকাল ম্যাচের পঞ্চম তথা শেষ দিনে। দুই দলের জয়লাভের এই মরিয়া প্রচেষ্ঠার ফলই কি এতগুলো রিভিউ?

ম্যাচের চতুর্থ দিন পর্যন্ত দুই দল মিলে রিভিউ নিয়েছে মোট ২৩ বার! এর মধ্যে বাংলাদেশ ১১ এবং ইংল্যান্ড নিয়েছে ১২ বার। এতগুলো রিভিউয়ের বিপরীতে সফল রিভিউয়ের সংখ্যা ১০টি। তবে রিভিউ প্রথা চালু হওয়ার পর প্রথম ইনিংসে এতগুলো রিভিউ নেওয়া হয়নি যতগুলো নেওয়া হয়েছে চট্টগ্রাম টেস্টে। প্রথম ইনিংসে দুই দল রিভিউ নিয়েছিল মোট দশবার!

রিভিউ সফল হওয়া মানেই ফিল্ড আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত ভুল প্রমাণিত হওয়া। তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটেই বাংলাদেশে শিকার হয়েছে আম্পায়ারের ভুলের। গত বিশ্বকাপে আলিম দার তো বাংলাদেশের দর্শক থেকে শুরু করে বিশ্বের অনেক নামীদামী ক্রিকেটারের সমালোচনা কুড়িয়েছিলেন। তবে চট্টগ্রাম টেস্টে এবারের ‘ভিলেন’ শ্রীলঙ্কার কুমারা ধর্মসেনা। সফল হওয়া রিভিউয়ের ১০টির মধ্যে ৭টিতেই তার ভুল প্রমাণিত হয়েছে। তাই বিষয়টি কেউ ভাল চোখে দেখছে না।

এমন নয় যে চাইলেই রিভিউ নেওয়া যায়। রিভিউ নেওয়ার কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। প্রতি ৮০ ওভারে ২টি করে রিভিউ নেওয়ার সুযোগ থাকে। এর মধ্যে ২টি রিভিউ বাতিল হয়ে গেলে পরবর্তী ৮০ ওভারের আগে আর রিভিউ পাবে না সেই দল। তাই অধিনায়ক রিভিউ নেওয়ার আগে অনেক ভেবেচিন্তে নেন। আধুনিক প্রযুক্তি আম্পায়ারদের কাজ অনেক সহজ করে দিয়েছে। তবে এতবার ভুল করলে আম্পায়ারদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য।