মেইন ম্যেনু

চট্টগ্রাম থেকেই বদলে যাচ্ছে বিপিএলের সময়সূচি

টি-টোয়েন্টি মানেই চার-ছক্কার বিনোদন। কিন্তু এবারের বিপিএল যেন দর্শকদের সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না। স্লো উইকেট আর লো স্কোরিং ম্যাচ- পুরো বিপিএলেরই যেন বিজ্ঞাপন হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধুমাত্র শনিবার বিপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচে সাকিব আল হাসানের দল ঢাকা ডায়নামাইটস ১৭০ রানের বড় স্কোর গড়তে সক্ষম হয়েছিল। এই একটি ম্যাচ ছাড়া আর প্রায় সব ম্যাচই লো স্কোরিং ছিলো।

মূলতঃ সন্ধ্যার পর শিশিরে মাঠ ভিজে একাকার হয়ে যাওয়ার কারণে স্পিনাররা বল গ্রিপ করতে পারছে না, উইকেটের ওপর বল পড়ে স্লথ হয়ে যাচ্ছে। ব্যাটসম্যানের ব্যাটে ঠিকভাবে বল আসছে না। যে কারণে তাদের ব্যাটের দৃষ্টিনন্দন শট দেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দর্শকরা। সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার কারণ শিশির। স্পিনাররা বল গ্রিপ করতে সমস্যাই নয় শুধু, মাঠে ফিল্ডিং করাই তখন কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। শিশির পড়ে পুরো মাঠ ভিজে যায়।

এই সমস্যা থেকে কাটিয়ে ওঠার জন্য বিপিএলের ম্যাচগুলো এক ঘণ্টা এগিয়ে আনার চিন্তা-ভাবনা করছে বিপিএল কর্তৃপক্ষ। আগেরদিনই প্রকাশ হয়েছে, শিশিরের কারণে এক ঘণ্টা এগিয়ে আনা হচ্ছে বিপিএলের সময়সূচি- এই শিরোনামে। তবে, তখন শোনা গিয়েছিল, বিপিএলের চট্টগ্রাম পর্ব শেষ করে আসার পর ঢাকায় দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হবে নতুন সময় সূচিতে।

তবে জানা গেছে, ঢাকায় দ্বিতীয় পর্ব নয়, চট্টগ্রাম পর্ব থেকেই বিপিএল অনুষ্ঠিত হবে নতুন সময়সূচিতে। ‍মূলতঃ বিপিএলের সম্প্রচার কর্তৃপক্ষ চ্যানেল নাইনের পীড়াপীড়িতেই বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, চট্টগ্রাম পর্ব থেকেই বিপিএল অনুষ্ঠিত হবে নতুন সময়সূচিতে। এর কারণ হচ্ছে, ঢাকায় এসে যদি এক ঘণ্টা খেলা এগিয়ে আনা হয়, তাহলে নতুন সূচিতে দর্শকদের খাপ খাওয়াতে সময় লাগবে। এ কারণে চট্টগ্রাম থেকেই নতুন সময়ের সঙ্গে অভ্যস্ততা তৈরি করতে চায় বিপিএল সম্প্রচার কর্তৃপক্ষ।

চ্যানেল নাইন সূত্রে জানা গেছে, নতুন সময়সূচি অনুযায়ী সপ্তাহের ৬ দিন দিনের প্রথম খেলা দুপুর ২টার পরিবর্তে শুরু হবে দুপুর ১ টায়। আর শুক্রবারের প্রথম ম্যাচ শুরু হবে দুপুর আড়াইটার পরিবর্তে দুপুর দেড়টায়। সন্ধ্যার প্রথম ম্যাচটি সপ্তাহের ৬দিন অনুষ্ঠিত হবে ৭টার পরিবর্তে পৌনে ৬টায়। আর শুক্রবারের সন্ধ্যারর ম্যাচটি সোয়া ৭টার পরিবর্তে শুরু হবে সোয়া ৬টায়।

বিপিএল কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা, এক ঘণ্টা করে সময় এগিয়ে আনা হলে সন্ধ্যার পর শিশিরের সমস্যা অনেকটা কমে আসবে। তাতে বিপিএল হয়ে উঠবে আরও উপভোগ্য।



« (পূর্বের সংবাদ)