মেইন ম্যেনু

চাকরি হারাতে না চাইলে আজই বদলে ফেলুন এই ৩টি বদভ্যাস

office, phone woman

ক্যারিয়ারের সিঁড়ি বেয়ে উপরে ওঠার ইচ্ছা থাকে আমাদের সবারই। আমরা চাই অনেক বড় অবদান রাখতে, বড় অংকের অর্থ উপার্জন করতে এবং অবশ্যই অনেক সম্মান পেতে।

আপনার আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী হতে হবে মনোভাবও। অনেক পরিশ্রম করছেন, সময়মত কাজ জমা দিচ্ছেন, সবচেয়ে সুন্দর গোছানো কাজটিই আপনার। তবু সফলতার স্বপ্ন থেকে যাচ্ছে অধরা। হয়ত সব যোগ্যাতা থাকার পরও নিজের আচরণগত ভুলের কারণে পিছিয়ে আছেন আপনি। মিলিয়ে নিন, আচরণগত কোন ভুলগুলো বাধা তৈরি করছে আপনার ক্যারিয়ারে-

অযাচিত প্রত্যাশা
আপনার দক্ষতা যেমন আপনি তেমনই ফলাফল পাবেন। দক্ষতা, যোগ্যতার বাইরেও বংশগত কারণে, অভিজাত পরিবার থাকার কারণে বা সুদর্শন হওয়ার কারণে আপনি বাড়তি সুবিধা ভোগ করবেন এমন ধারণা যদি করে থাকেন তাহলে আজই বাস্তব জগতে ফিরে আসুন। এসব কারণে আপনার কোম্পানি, সহকর্মীরা আপনার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে পারে, কিন্তু প্রমোশন তারই হবে যে পরিশ্রম এবং মেধা দিয়ে সেটা অর্জন করতে পারবেন।

একটি কোম্পানি অবশ্যই কাজে বিশ্বাসী। কাজ অনুযায়ী সম্মানী নির্ধারিত হয়। আপনার কাজের তুলনায় যদি সম্মানী বেশী হয় এবং একই সাথে আপনার মনোভাব এমন থাকে যে কাজের বাইরের অন্যান্য পরিচিতি আপনাকে সফলতা এনে দেবে তাহলে জেনে রাখুন, খুব শীঘ্রই আপনার অবস্থানে আসছেন অন্য কেউ।

কাজ না করার মনোভাব
কিছু মানুষ আছেন যারা সবসময় কাজ করার মনোভাব নিয়ে চলেন। নতুন কোন কাজ পেলেই চ্যালেঞ্জ নিয়ে সেই কাজটি করে নিজের দক্ষতা প্রকাশ করেন। নিজেকে সামনে তুলে ধরার কোন সুযোগ তারা হাত ছাড়া করেন না। ভেবে দেখুন, আপনার অফিসে যখন রয়েছে এমন একজন মানুষ আর সেখানে আপনি যখন কোন কাজ এলেই এড়িয়ে যেতে চাইছেন তখন কে বেশী চোখে পড়বেন? কার উপর বেশী প্রসন্ন হবেন আপনার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা?

এবার নিজেই সিদ্ধান্ত নিন, চাকরি টিকিয়ে রাখতে বা সফলতা পেতে হলে কী করবেন! আপনি হয়ত ভাবছেন, যে কাজের জন্য আপনাকে বেতন দেওয়া হচ্ছে না সে কাজ কেন করবেন! অথবা কাজটি করলেও বেতন যা পাচ্ছেন না করলেও একই বেতন পাবেন, তাহলে কেন বাড়তি দায়িত্ব মাথায় নেবেন! অন্যভাবে ভাবুন। নতুন কাজগুলো একেকটা সুযোগ নিজেকে আরো যোগ্য প্রমাণ করার। এমন সুযোগ যতবার আসে ততবার নিন।

অপ্রয়োজনীয় আড্ডা
অপর সহকর্মীর সমালোচনা করা, আড়ালে তাকে নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করা, অফিসের কোন সিদ্ধান্ত নিয়ে দলবেধে অসন্তোষ প্রকাশ করা এই সবই প্রতিষ্ঠানের পরিবেশকে দূষিত করে। অফিস পলিটিক্স খুবই ক্ষতিকারক যে কোন প্রতিষ্ঠানের জন্য। আপনার প্রতিষ্ঠান এধরণের যে কোন কিছুতে যুক্ত থাকার অভিযোগে আপনাকে চাকরিচ্যুত করতে পারেন।

নিজের কাজ করে যান। সকলের প্রতি সহযোগিতামূলক মনোভাব বজায় রাখুন। শুধু ইতিবাচক বিষয়ে দলীয় কার্যক্রমে অংশ নিন। নেতিবাচক আড্ডা বা অন্যান্য কার্যক্রম এড়িয়ে চলুন সচেতনভাবে। তাহলেই আপনার চাকরি এবং আপনি উভয়ই সুরক্ষিত থাকবেন।