মেইন ম্যেনু

চুয়াডাঙ্গার হরিশপুরে জমিজমা সংক্রান্ত দেড় বছরের বিরোধ ধরে ঘরে আগুন

img_20161129_131333

রাজিবুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা : চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের হরিশপুর দক্ষিণপাড়ায় মৃত্য আলম মন্ডলের পুত্র মোবারক হোসেনের ঘরে আগুনের দায়ে বদর উদ্দীনের দুই ছেলে সেনা সদস্য তোতা ও জুল হোসেনর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। গত ২৯/১১/২০১৬ তারিখ রাতে আনুমানিক ২টার দিকে কে বা কারা মৃত্য আলম মন্ডলের ছেলে মোবারকের ঘরের চালে আগুন দেয়। তৎক্ষণিক ঠিক পেয়ে সবাই ঘর থেকে বাহির হয়ে আসে। পরে গ্রামবাসীদের প্রচেষ্টায় আগুন নেভানো সম্ভব হলেও মোবারকের ঘরে থাকা টিভি, ফ্যান, আলমারি, পোশাকসহ প্রায় লক্ষাধিক টাকার মালপত্র আগুনে পুড়ে যায়। এ বিষয়ে ঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠছে চাচাতো ভাই বদর উদ্দীনের ছেলে সেনা সদস্য তোতা ও জুল হোসেনের বিরুদ্ধে। মোবারকের ছেলেসহ ৯জন আলোকীত চুয়াডাঙ্গাকে লিখিত অভিযোগ দিয়ে বলেন, তোতা ও এর ভাই জুল ছাড়া আমার ঘরে কেউ আগুন দেয়নি। ওরা দুই ভাই আমার ঘরে আগুন দিয়েছে। আমাদেরকে পুড়িয়ে মারতে চেয়েছে। তবে মোবারক ভাতিজাকে ২০১৫ সালের মে মাসে খুনের দায়ে চুয়াডাঙ্গা জেল হাজতে আছেন। এদিকে সেনা সদস্য তোতার সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তোতা বলেন, এক বছর আগে ওরা আমার ভাই কে শাবল দিয়ে খুন করেছে। এবার আমার চাকরি নিয়ে টানাটানি করছে। আমার চাকরি নষ্ট করতে চাইছে। ওদের ঘরে আমি আগুন দেইনি। এমন কাজ আমি বা আমার পরিবারের কেউ করতে পারে না।

জানা গেছে প্রায় এক বছর আগে থেকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের হরিশপুর দক্ষিণপাড়ার বদর উদ্দীনের ছেলে ইলেকট্রিক মিস্ত্রি আব্দুর রাজ্জাকের সাথে হরিশপুর হাটে ১০ কাঠা জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো দুঃসর্ম্পকের চাচা বছির উদ্দীনের ছেলে ইউনুচের। এরই জের ধরে ২০১৫ সালের ১৬ই মে চাচা ইউনুচের হাতে ভাতিজা রাজ্জাক খুন হন। সেই থেকে দুই পরিবারে দ্বন্দ লেগে থাকার পর গত চার দিন আগে বদর উদ্দীনের ছেলে সেনা সদস্য তোতা ছুটিতে বাড়িতে আসেন। এরই মাঝে গত রাতে মোবারকের বাড়ির ঘরের চালে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠছে তোতার বিরুদ্ধে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোনো মামলা হয় নি তবে এলাকাবাসীর দাবী কে বা কারা মোবারকের ঘরে আগুন দিয়েছে তা কেউ দেখিনি। তাই কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ করাও ঠিক নয়। এ ভাবে চলতে থাকলে আবারও একবার ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। তাই খুব দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস চেয়েছেন এলাকাবাসী।