মেইন ম্যেনু

দিয়াজের মৃত্যু : আত্মহত্যা নাকি হত্যা?

সাফাত জামিল শুভ, নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০ নভেম্বর (রবিবার) রাত ৯টার দিকে চট্টগ‌্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নম্বরে গেটের একটি ভাড়া বাসা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজ ইরফান চৌধুরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি ছিলেন কেন্দ‌্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক এবং চট্টগ‌্রাম বিশ্ববিদ্যায় ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক। সোমবার বাদ আছর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে ক্যাম্পাসেই তার লাশ দাফন করা হয়।

তার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছে ‘এটি আত্নহত্যা নাকি হত্যা’। ইতোমধ্যে তার সহপাঠী ও স্বজনরা দাবি করেছেন, ‘দিয়াজকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে প্রচার করা হচ্ছে।’ তার নিকটাত্মীয় এবং অনুসারীদের এমন সন্দেহের পরিপ্রেক্ষিতেই ‘রহস্য’ বাড়ছে। ‌প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, যে কক্ষে তার মরদেহ পাওয়া যায় সেটি ভেতর থেকে তালাবদ্ধ থাকলেও বারান্দার দরজাটি খোলা ছিল।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় ঐ বাসার দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকত দিয়াজ ও তার পরিবার।

এদিকে সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ২১ নভেম্বর সকালে প্রবর্তক মোড় এলাকায় সড়ক অবরোধ করে রাখে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।একই সময় বিশ্ববিদ্যালয়গামী শাটলট্রেনও ব্যারিকেড দিয়ে অবরোধ করা হয়।

দিয়াজ ইরফান চৌধুরী কি আত্মহত্যা করেছেন নাকি তাকে মেরে ফেলা হয়েছে এ নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মী এবং পুরো বিশ্ববিদ্যালয়েই চলছে জল্পনা-কল্পনা। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়,ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেই জানা যাবে প্রকৃত ঘটনা।