মেইন ম্যেনু

ছাপা পত্রিকার যৌন উত্তেজনা বোধ করেন যে পুরুষ

ছাপা পত্রিকার বিলুপ্তি অব্যাহত থাকায় এবং প্রকাশকরা শুধু ডিজিটাল সংস্করণে স্থানান্তরিত হওয়ায় আগে যারা পত্রিকায় আবেগগতভাবে উত্তেজিত হতেন তাদের জন্য দুঃসংবাদ বাড়ছে।

অনলাইনে প্রচুর সংখ্যক নারী ও পুরুষ পত্রিকার গন্ধ, অনুভূতি এবং চিত্র দেখে নিজেদের উত্তেজিত হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এদের অনেকেই আবার মাথা থেকে পা পর্যন্ত পত্রিকা দিয়ে মুড়িয়ে রাখার দিবাস্বপ্নের কথাও বলেছেন।

এই উত্তেজনার পেছনে ট্যাবলয়েড পত্রিকার টপলেস বা অর্ধ উলঙ্গ ছবি সবচেয়ে বড় ভূমিকাটি পালন করত বলেও ধারণা ছিল। কিন্তু যাদের মধ্যে পূর্ণবিকশিত পত্রিকা উত্তেজনা কাজ করে তারা এর দ্বারা যেকোনোভাবেই উত্তেজিত হন।

যুক্তরাজ্যের কেন্টের এক টুইটার ইউজার নিয়মিতভাবে তার ট্রাউজারের নিচে জাতীয় পত্রিকার ১০ কপি করে গুঁজে রাখার ছবি শেয়ার করতেন।

সাইটে তার বায়োডাটাতে লেখা আছে তিনি স্থানীয় এমন কোনো নারীকে খুঁজছেন যিনি তাকে ‘পত্রিকায় মুড়িয়ে দেবেন’।

অভিজ্ঞতা প্রকল্প ওয়েবসাইটে এক পুরুষ বলেছেন, ‘আমি সদ্য ছাপা পত্রিকার গন্ধ এবং অনুভূতি ভালোবসি। আমি সেগুলোকে আমার বিছানায় বিছিয়ে রাখতে, সেগুলো দিয়ে মাথাসহ নিজেকে মুড়িয়ে রাখতে এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে গন্ধ গ্রহণ করতে পছন্দ করি।’

আরেকজন লিখেছেন, ‘আমি বেশ কিছুদিন পত্রিকা থেকে দূরে ছিলাম। কিন্তু আমি ফিরে এসেছি এবং দ্য টেলিগ্রাফ ও ফিনান্সিয়াল টাইমস পত্রিকায় উত্তেজিত হচ্ছি।’

একটি সাইটে এক পুরুষ লিখেছেন, তিনি পত্রিকায় তার যৌনতার বিষয়টি স্ত্রীর কাছ থেকে লুকিয়ে রেখেছিলেন। তবে একটি কাপবোর্ডে অতিরিক্ত পত্রিকা গুঁজে রাখা আছে দেখে তার স্ত্রী বিষয়টি টের পেয়ে যান।

এই ধরনের অস্বাভাবিক যৌনতা গড়ে ওঠে মূলত বিশেষ এক ধরনের মানসিক কারণে। এই বিষয়ে এখনো তেমন একটা গবেষণা হয়নি। তবে ধারণা কর হয়, দুর্ঘটনাক্রমে মস্তিষ্ক কোনো যৌন অনুপ্রাণনার সঙ্গে অযৌন অনুপ্রাণনার সংযোগ স্থাপনের ফলে এই ধরনের যৌন প্রতিমা গড়ে ওঠে।

অনেকেই তুলনামূলকভাবে খুব অল্প বয়স থেকেই এই ধরনের যৌন প্রতিমা গড়ে তোলে। অনেকে বলেছেন, তারা কোনো একজন আধিপত্যকারী নারীর দ্বারা পত্রিকায় নিজেকে মোড়াতে চান।

তবে ইন্টারনেট প্রযুক্তির কল্যাণে সংবাদ ও পত্রিকাগুলো সব ডিজিটালে রূপান্তরিত হওয়ায় এই যৌন প্রতিমা আকাঙ্ক্ষা পূরণ অনেক ব্যয়বহুল হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সূত্র : দ্য ইনডিপেনডেন্ট