মেইন ম্যেনু

ছেলেদের সম্পর্কে কিছু অদ্ভুত সত্যি

man-checking-out-other-woman-525x350

প্রত্যেকটা মানুষের অপর একজন মানুষ সম্পর্কে আগ্রহ থাকে। সেটা খুব স্বাভাবিক। আর সেই আগ্রহ থেকেই আমরা আমাদের কাছের মানুষগুলো সম্পর্কে জানতে পারি। প্রতিনিয়ত নতুন কিছু জানার আগ্রহও তৈরি হয়।

সাধারণত আমরা আমাদের বিপরীত লিঙ্গের প্রতি বেশি আগ্রহী হয়ে থাকি। সেটি হতে পারে কোনো ছেলে বা মেয়ে। তবে তুলনামূলক ছেলেদের থেকে মেয়েদের প্রতি আগ্রহ বেশি থাকে। তবে ছেলেদের সম্পর্কেও অনেক কিছু জানার আছে। তার অনেকগুলো বেশ অদ্ভুত ধরনের সত্যি।

* ছেলেরা প্রতিদিন গড়ে ৬টি করে মিথ্যা কথা বলে, যা একটি মেয়ের তুলনায় দ্বিগুণ।

* একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বাসঘাতক ছেলেদের অন্যদের তুলানায় আইকিউ কম হয়।

* ছেলেরা তাদের জীবনের প্রায় এক বছর অতিবাহিত করে শুধু মেয়েদের দিকে তাকিয়ে থেকে।

* খুনের স্বীকার হওয়া মেয়েদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক মেয়ে খুন হোন তাদের বর্তমান বা সাবেক স্বামী দ্বারা।

* যদি আপনার ল্যাপটপ গরম হয়ে যায় তাহলে কোনোভাবে তা আপনার শরীরে বা শরীরের ভাঁজে রাখবেন না। কারণ এটি পরবর্তীতে বন্ধাত্বের কারণ হতে পারে। আর এই তথ্য ছেলেদের জন্যও প্রযোজ্য।

* একটি ছেলে তার জীবদ্দশায় প্রায় ৬ মাস অতিবাহিত করে শুধু শেভিং করে।

* টাক মাথার ছেলেদের অনুভূতি চুলওয়ালা ছেলেদের তুলনায় ১৩ গুণ বেশি শক্তিশালী।

* যেসব ছেলেরা বেশি আকর্ষণীয় মেয়েদের বিয়ে করেন তারা অন্যদের তুলনায় বিবাহিত জীবনে বেশি সন্তুষ্ট থাকেন।

* পর্দার সামনে প্রথম দুটি ছেলে একজন অপরজনকে চুম্বন করেন ১৯২৭ সালে।

* একজন মহিলা প্রতি মিনিটে চোখের পলক ফেলেন ১৯ বার। সেই তুলনায় একজন পুরুষ প্রতি মিনিটে চোখের পলক ফেলেন ১১ বার।

* ধূমপান ছেলেদের মধ্যে পুরুষত্বহীনতা ঘটায়।

* ১৬০০ সালের দিকে ছেলেরাই প্রথম হাই হিল ব্যবহার করেছিলেন। তখন ছেলেদেরই উঁচু জুতা ব্যবহারের রীতি ছিল।

* গড় উচ্চতায় মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা ৪ থেকে ৫ ইঞ্চি লম্বা হয়।

* একজন ছেলে স্বাভাবিকের তুলনায় ৭% ধীর গতিতে হাটে যখন সে তার প্রেমিকা, স্ত্রী বা সন্তানের সঙ্গে থাকে। কিন্তু ঠিক ততটাই দ্রুত হাটে যখন কোনো ছেলের সঙ্গে থাকে।

* মার্কিন আমারিকাতে প্রতি বছর প্রায় ৪৫০ জন ছেলে মারা যায় স্তন ক্যান্সারে।

* ছেলেরা ভালোবাসার কথা আগে প্রকাশ করতে পছন্দ করেন।

* ছেলেদের মেয়েদের তুলনায় প্রোস্টেট ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা ৩৫ শতাংশ বেশি থাকে।

* ছেলেরা মেয়েদের তুলনায় প্রতিদিন বেশি ঘামে।

* গবেষণায় দেখা যায় মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের বায়ু প্রকোপ যুক্ত সমস্যা কম।

* মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের ৩ থেকে ৪ গুণ বেশি অটিস্টিক স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার হয়ে থাকে।

* বয়ঃসন্ধিকালে ছেলে এবং মেয়ে উভয়েরই কণ্ঠস্বর পরিবর্তন হয় কিন্তু ছেলেদের ক্ষেত্রে ব্যাপারটি বেশ নাটকীয়। পুরো জীবনে একটি ছেলের কণ্ঠ প্রায় আট বার পরিবর্তন হয়।

* মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের মস্তিষ্ক ১০ গুণ বড় হয়। কারণ ছেলেরা বেশি পেশীবহুল হওয়ায় তাদের শরীরকে নিয়ন্ত্রণের জন্য মস্তিষ্কের অধিক নিউরনের দরকার হয়।

* বিজ্ঞানীরা বর্তমান গবেষণা থেকে বলছেন যে, ছেলে এবং মেয়েদের মস্তিষ্কের কার্যক্রম ভিন্ন। একটি ছেলে যখন কোনো কাজ করেন তখন তিনি শুধুমাত্র তার মস্তিষ্কের একটি অংশ ব্যবহার করেন। কিন্তু একজন মেয়ের ক্ষেত্রে ভিন্ন। একজন মেয়ে একই সঙ্গে মস্তিষ্কের উভয় অংশ ব্যবহার করতে পারেন। অর্থাৎ একটি মেয়ে একই সঙ্গে কয়েকটি কাজ করতে সক্ষম।