মেইন ম্যেনু

জরুরি অবতরণের চেষ্টা করেছিলো বিধ্বস্ত বিমানটি

কলম্বিয়ায় বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলার বিমানটিকে জরুরি অবতরণ করানোর চেষ্টা করেছিলেন বিমান পরিচালনাকারীরা। তবে তারা ব্যর্থ হয়েছেন। বিমান কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান এই খবর জানিয়েছে।

ব্রাজিল থেকে সেখানকার এক ফুটবল ক্লাবের সদস্যসহ ৮১ আরোহীকে নিয়ে কলম্বিয়ায় যাওয়ার কথা ছিল বিধ্বস্ত বিমানটির। মাঝে বলিভিয়ায় যাত্রা বিরতি করে বিমানটি। সেখান থেকে দ্বিতীয় দফায় যাত্রার এক পর্যায়ে বিমানবন্দরের রানওয়েতে পৌঁছার আগেই কলম্বিয়ায় বিধ্বস্ত হয় বিমানটি। কলম্বিয়ার বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রধান আলফ্রেডো বোকানেগ্রাকে উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান খবরটি নিশ্চিত করেছে। কলম্বিয়াভিত্তিক ব্লু রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান আলফ্রেডো।

উল্লেখ্য, বলিভিয়া থেকে যাত্রা করার পর স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটে কলম্বিয়ার লা ইউনিয়নের কেরো গোর্দো শহরের কাছে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার শিকার বিমানটি পরিচালনা করতো ভেনেজুয়েলা’র বিমান সংস্থা লামিয়া। বিমানটি কলম্বিয়ার জোসে মারিয়া কর্ডোভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিল। তবে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই রাডারের সঙ্গে বিমানটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

ব্লু রেডিওকে আলফ্রেডো বলেন, ‘ওই বিমান থেকে জরুরি বার্তা পাঠানো হয়েছিলে।’ দুর্ঘটনার সম্ভাবনা টের পেয়ে বিমানটিকে ‘অবতরণের বিষয়টিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছিল কিন্তু তখন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।’

বিমানটি কেন রানওয়েতে যেতে ব্যর্থ হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। কোনও কোনও খবরে বলা হচ্ছে বিমানটি জ্বালানি সংকটে পড়েছিল, আবার কেউ কেউ বলছে বিমানটিতে বৈদ্যুতিক ত্রুটি ছিল।