মেইন ম্যেনু

জাবিতে দলীয় কর্মীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলো ছাত্রলীগ

ju logo

জাবি সংবাদদাতা: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন কারন ছাড়াই দলীয় কর্মীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। সোমবার রাত সাড়ে ১২ টার দিকে বিশ^বিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলে এ ঘটনা ঘটে।

মারধরের শিকার জাবেদ সজল বিশ^বিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগ কর্মী ও অর্থনীতি বিভাগের ৪২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। পরে আহত সজলকে সাভার এনাম মেডিক্যাল হাসপাতাল ও কলেজে ভর্তি করানো হয়। জানা যায়, মীর মশাররফ হোসেন হলে বি ব্লকের ৪০১ নম্বর রুমে ছাত্রলীগ কর্মী ও অর্থনীতি বিভাগের ৪২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জাবেদ সজলের কক্ষে শাখা ছাত্রলীগের উপ-সমাজসেবা সম্পাদক বশিরুল হকের অনুসারীরা গিয়ে ধাক্কাধাক্কি শুরু করে। পরে সজল দরজা না খুললে তারা তা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে। সজলের সাথে কথা বলার এক পর্যায়ে ৮-১০ জন নেতা-কর্মী তাকে মারধর শুরু করে। পরিসংখ্যান বিভাগের ৪১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সুব্রত কুমার সাহার নেতৃত্বে আইআইটির অভিজিৎ অভি, অর্থনীতির ইসমাঈল হোসেন,পরিবেশ বিজ্ঞানের আলী আহসান, ভূগোল ও পরিবেশের শিহাব রাজ, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিংয়ের ফরহাদ, বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সিফাত রাতুল, ইতিহাসের প্রিতম আরিফ, ভূগোল ও পরিবেশের আজিমুশশান প্রণয়, ইতিহাসের ফাহাদসহ ৮-১০ জন ছাত্রলীগ কর্মী তাকে ক্রিকেট খেলার স্টাম্প দিয়েও হাত দিয়ে উপর্যপুরি আঘাত করে। এতে সজলের নাক দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরন হয়। পরে আহত অবস্থায় রাত ১টার দিকে তাকে সাভার এনাম মেডিক্যাল হাসপাতাল ও কলেজে ভর্তি করা হয়। অভিযুক্তরা সবাই শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুর রহমান জনির অনুসারী ও মীর মশাররফ হোসেন হলের আবাসিক ছাত্র।

এদিকে ঘটনার সময় ছাত্রলীগ কর্মী ও নগর অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের শিক্ষার্থী রবিউল ইসলাম হলে হট্রগোল শুনে মারধরের ঘটনা দেখতে গেলে মারধরকারীদের ভাঙ্গা কাচে তিনিও আহত হন। পরে তাকেও এনাম মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ বিষয়ে মারধরের শিকার জাবেদ সজল বলেন, কোন কারণ ছাড়াই আমার রুমের দরজা ভেঙ্গে আমাকে মারধর করা হয়েছে।

সামনে ছাত্রলীগের নতুন কমিটিকে কেন্দ্র করে আমার অবস্থান ভালো হওয়ায় এর আগেও কয়েকবার আমাকে মারধর করে হল থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এবিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুর রহমান জনি বলেন, যারা মারধরের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট হলের প্রভোষ্ট অধ্যাপক মো.ওবায়দুর রহমান বলেন, তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।