মেইন ম্যেনু

জিম্বাবুয়েকে সহজে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা

ত্রিদেশীয় সিরিজের বাকি দলটি ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জিম্বাবুয়ে এবং শ্রীলংকার সামনে মোটেও দাঁড়াতে পারেনি তারা। সুতরাং অবধারিতভাবেই ফাইনালে মুখোমুখি হলো শ্রীলঙ্কা এবং স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে; কিন্তু ফাইনালে শ্রীলংকার সামনে প্রতিরোধই গড়তে পারলো না স্বাগতিকরা। উল্টো ৬ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে। জিম্বাবুয়ের দেয়া ১৬১ রানের লক্ষ্য ১২.৩ (৭৫ বল) হাতে রেখেই টপকে যায় লঙ্কানরা।

বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ে; কিন্তু সিদ্ধান্তটা যে ভুল ছিল সেটা দ্রুতই টের পেয়ে যায় তারা। শুরু থেকেই স্বাগতিক ব্যাটসম্যানদের ওপর চড়াও হলেন শ্রীলঙ্কান বোলাররা।

১৯ রানেই তুলে নেয় দুই ওপেনারের উইকেট। এরপর তারিসাই মুসাকান্দা আর ক্রেইগ আরভিন মিলে চেষ্টা করেন বিপর্যয় সামাল দেয়ার। কিন্তু আরভিন ৩৩ বলে ২৫ রান করে আউট হয়ে যান। ৩৭ বলে ৩৬ রান করেন মুসাকান্দা। শন উইলিয়ামস করেন ৩৫ রান। এছাড়া আর উল্লেখ করার মত কেউ রান করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ৩৬.৩ ওভারে ১৬০ রানেই অলআউট হয়ে যায় জিম্বাবুয়ে।

জবাব দিতে নেমে শুরুতেই ধনঞ্জয়া ডি সিলভার উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। ৪২ রানের মধ্যে নিরোশান ডিকওয়েল এবং কুশল পেরেরার উইকেট হারিয়ে কিছুটা বিপর্যয়ে পড়ে লঙ্কানরা। তবে কুশল মেন্ডিস আর উপল থারাঙ্গা মিলে লংকানদের জয়ের কাজটা করে দিয়ে যান। দু’জনই সমান ৫৭ রান করে সংগ্রহ করে।

৫৭ রান করে কুশল মেন্ডিস আউট হলেও আসেলা গুনারত্নেকে নিয়ে বাকি কাজ শেষ করে ফেলেন উপুল থারাঙ্গা। শেষ পর্যন্ত শ্রীলংকার রান গিয়ে দাঁড়ায় ৩৭.৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৬৬ রান। জিম্বাবুয়ের হয়ে লংকানদের ৩ উইকেটই নেন ব্রায়ান ভিতোরি এবং ১ উইকেট নেন গ্রায়েম ক্রেমার।