মেইন ম্যেনু

জীবনের অর্ধেক সময় গাঁজা বেঁচেছেন! আজ তিনি কোটিপতি, কিন্তু কীভাবে?

image-6

জীবনের শুরুতে যেমন ছিলেন, পরবর্তীকালে পরিস্থিতির চাপে নিজেকে অনেকখানি বদলে নেন অনেকেই। গোটা পৃথিবীতে এমন বহু নজিরই রয়েছে। কিন্তু নিজেকে পরিবর্তন করা খুব সহজ কথা নয়। এবারে খোঁজ পাওয়া গেল এমন এক ব্যক্তির, যিনি প্রথম জীবনে ছিলেন একজন গৃহহীন ড্রাগ আসক্ত, পরবর্তীকালে তিনিই হয়ে উঠেছেন কোটিপতি।

ষাট ছুঁই ছুঁই এই মানুষটির নাম খলিল রাফাতি। যৌন নিপীড়ণের হাত থেকে বাঁচতে ছোটবেলায় নিজের শহর ক্যালিফোর্নিয়ার মালিবু শহর থেকে পালাতে হয়েছিল তাঁকে। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদপত্রের খবর অনুযায়ী, এর পরে তিনি গাঁজা সরবরাহের গোপন ব্যবসা শুরু করেন। ২০০১ সালে তিনি মাত্রাতিরিক্ত হেরোইন আসক্ত হয়ে পড়েন। এর ফলে, ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে চলেছিলেন। এর ঠিক পরের বছরেই বেশ কিছু অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতী তাঁকে খুন করার চেষ্টাও করেন। কিন্তু দ্বিতীয় বারেও মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসেন খালিল। এর পরে বহু কষ্টে তাঁকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনেন তাঁরই এক বন্ধু। একটু একটু করে খালিল নিজের শরীর-স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নিতে শুরু করেন। আর এর পরেই তাঁর ইচ্ছে জাগে যে, তিনি যাতে অন্যান্য মানুষদেরও সাহায্য করতে পারেন। এই জন্য ২০০৭ সালে তিনি নিজ উদ্যোগে ফলের রস এবং খাবারের ব্যবসা শুরু করেন।

তাঁর তৈরি করা ‘উলভারিন’ নামক একটি স্মুদি দিনে দিনে অতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল যে, বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন মানুষ এই স্মুদির আকর্ষণে তাঁর রেস্তোরাঁয় আসতে শুরু করেন। আর এভাবেই তাঁর ব্যবসার প্রসার ঘটে।
বর্তমানে তিনি প্রচুর টাকার মালিক হলেও বেপরোয়া একজন ড্রাগ আসক্ত থেকে সফল ব্যবসায়ী হয়ে ওঠার পথটা সহজ ছিল না। তাঁর কথায়, এমন অনেক মানুষই রয়েছেন যাঁদের জীবনের হাল ধরার জন্য মানুষের সাহায্যের প্রয়োজন। তাই তাঁদেরকে অবহেলা না করে তাঁদের পাশে এগিয়ে আসা প্রয়োজন।