মেইন ম্যেনু

ট্রাম্পপত্নীর পোশাক বানাতে অস্বীকৃতি!

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ফ্যাশন ডিজাইনাররা কার পক্ষে ছিলেন, তা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই।

কারণ নিউইয়র্কের ফ্যাশন ডিজাইনাররা বিদায়ী ফার্স লেডি মিশেল ওবামা এবং ডেমোক্রেটদের পরাজিত প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের বিশেষ ভক্ত।

এই দুই নারীর সামাজিক যোগাযোগ এবং নারীদের পক্ষে পজিটিভ প্রতিনিধিত্ব করার বিষয়টিই তাদের জনপ্রিয়তার কারণ।

তবে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী সাবেক মডেল মেলানিয়া ট্রাম্পের বিষয়টি ভিন্ন।

তার পোশাক ডিজাইন ও তৈরিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন এক বিখ্যাত নারী ফ্যাশন ডিজাইনার।

অবশ্য কারণ মেলানিয়া নন, সমস্যাটা মূলে তার স্বামী ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্বাচনের প্রচারণাকালে যৌনতা নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য এবং নারীদের অসম্মান করে দেয়া নানা বক্তব্যের ফল ভুগতে হচ্ছে মেলানিয়াকে।

নিউইয়র্ক বেইজড বিখ্যাত ফ্র্যাঞ্চ ডিজাইনার সোফি থ্যালেট সম্প্রতি এক খোলা চিঠিতে মেলানিয়ার জন্য পোশাক বানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গি ও বক্তব্যের প্রতিবাদ হিসেবে অন্যান্য ফ্যাশন ডিজাইনারদেরও মেলানিয়ার পোশাক বানানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সোফি।

এক খোলা চিঠিতে সোফি লিখেছেন, ‘জীবনে কঠোর পরিশ্রম, বৈচিত্র্যময় ভাবধারায় বাঁচার চেষ্টা, ব্যক্তি স্বাধীনতা ও সকল জীবনধারার প্রতি শ্রদ্ধাশীল একজন মানুষ হিসেবে আমি পরবর্তী ফার্স্ট লেডির পোশাক বানানোর কোনো কাজে নিজেকে অন্তর্ভূক্ত করতে চাই না। কারণ তার স্বামী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার বক্তব্যে বর্ণবিদ্বেষ, বিকৃত যৌনতা এবং অভিবাসীদের প্রতি বিদ্বেষের কথা ছড়িয়েছেন। আর এই বিদ্বেষ বাষ্প আমার ব্যক্তিগত মূল্যবোধ ও জীবনের সঙ্গে কোনোভাবেই সঙ্গতিপূর্ণ নয়।’

ওই চিঠিতে কেবল টাকার জন্য কাজ না করারও কথা বলেন সোফি।

সোফির এই চিঠিতে অনলাইনে আসার পর তা ভাইরাল হয়ে যায়। ট্রাম্পবিরোধী প্রতিক্রিয়ায় ভেসে যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

৫২ বছর বয়সী ডিজাইনার সোফির ড্রেস দেখে বিদায়ী ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা বেশ অভিভূত হন। পরবর্তীতে সোফিও তার জন্য বহু ড্রেস ডিজাইন করেন।