মেইন ম্যেনু

ট্রাম্পের হত্যা চেয়ে বিপাকে মণিষা রাজেশ

nintchdbpict000281601373-550x550

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচিত হবার পর তার বিরুদ্ধে অনেকেই বিক্ষোভ করতে রাজপথে নেমে আসছেন। তাই বলে নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে মণিষা রাজেশ নিজের টুইটার এ্যাকাউন্টে ট্রাম্পকে হত্যার আহবান জানাবেন? বিষয়টি নিয়ে পাল্টা ক্ষোভ জানিয়েছেন অনেকে। এতে বিপাকে পড়ে মণিষা রাজেশ নিজের টুইটার এ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছেন। তাকে গ্রেফতার করার দাবি উঠেছে।

মণিষা রাজেশ নিজেকে গার্ডিয়ানের ফিচার রাইটার হিসেবে পরিচয় দিলেও গার্ডিয়ান তার সঙ্গে দূরত্ব বজায় চলছে। গার্ডিয়ান একই সঙ্গে মণিষাকে অনিয়মিত ফ্রিল্যান্স কন্ট্রিবিউটার’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে বলছে, ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি বা আহবান জানানোর পর তারা মণিকার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ রাখছেন না এবং উদ্ভুত পরিস্থিতিতে তার কোনো দায় গার্ডিয়ান নেবে না।

টাইম ফর এ্যাসাসিনেশন বা এখন ট্রাম্পকে হত্যার সময় এই বলে মণিষা রাজেশ টুইট করেছিলেন। তিনি ডেইলি মিরর ও ডেইলি টেলিগ্রাফেও কাজ করেন। কিন্তু ট্রাম্পকে হত্যার ইন্ধন দিয়ে টুইট করার পর এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। তার সমালোচনা হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। অনেকে তার এধরনের টুইটকে উত্তেজনাকর বলেও অভিহিত করেন। কেউ কেউ বলছেন, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই’এর উচিত মণিষা রাজেশের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করা। তাকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন কেউ কেউ। আবার অনেকে গার্ডিয়ানের সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এই বলে যে, হত্যার হুমকিদাতাকে বা কম্যুনিজমকে উৎসাহিত করা মিডিয়ার কাজ নয়। আরেকজন টুইট করেছেন, গার্ডিয়ান কি তাহলে পক্ষপাতশূন্য সাংবাদিকতা করছে?

মাইকেল টুইট করে অভিমত দিয়েছেন, কেউ কি জানেন গার্ডিয়ান তার এই সন্ত্রাসী সাংবাদিককে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন কি না?

গার্ডিয়ানের মুখপাত্র বলেছেন, মনিষা রাজেশ অনিয়মিত ফ্রিল্যান্স কন্ট্রিবিউটর মাত্র, স্টাফ রাইটার নন। গার্ডিয়ান মনিষার ব্যাপারে কোনো দায় নেবে না বলেও তিনি জানান। কারণ মণিষা বক্তব্য তার ব্যক্তিগত।

নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মৃত্যুকামনা করায় সম্প্রতি দি লসএ্যাঞ্জেলস টাইম তার একজন রিপোর্টারকে বহিস্কার করেছে। দি সান