মেইন ম্যেনু

ট্রাম্প জেতায় সাহস বেড়েছে সালাউদ্দিনের

ভুটান লজ্জার পর দেশের ফুটবল নিয়ে চলছে তুলকালাম। দক্ষিণ এশিয়ার এই ছোট্ট দেশটির কাছে হার মানতে পারছেন না কেউ। এ ব্যর্থতার পর সাবেক ফুটবলার থেকে শুরু করে সংগঠক, সমর্থকরা সমালোচনার ঝড় তুলছেন। ব্যর্থতার দায় নিয়ে কাজী মো. সালাউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন বাফুফের বতর্মান কমিটির পদত্যাগ করা উচিত- এমন দাবিও উঠেছে।

সমালোচনার তীরটা বেশি সভাপতির দিকে। মাঠের ব্যর্থতার সমালোচনার পাশাপাশি বাফুফের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ আনছেন অনেকে। কাজী মো. সালাউদ্দিন বরাবরই তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। আরেকবার উড়িয়ে দিলেন শনিবারও।

আবারও কাজী সালাউদ্দিন জোর দিয়ে বললেন, ‘আমার বিরুদ্ধে অনেক কথাই বলা হয়, যার কোনো ভিত্তি নেই। আগেও বলেছি, এখনো বলছি- কোনো অভিযোগ প্রমাণ করতে পারলে দায়িত্ব ছেড়ে চলে যাবো। অনেকে বলেন, আমরা নাকি একাডেমির টাকা এনে অন্য খাতে খরচ করেছি। ফিফার লোকজন তো আপনাদেরই বলে গেল- একাডেমির টাকা তাদের কাছেই আছে। তাহলে কোনটা সত্য?’

ভুটানের কাছে হারের পর মানুষের সমালোচনার যৌক্তিকতাও তো আছে তাই না? ‘হ্যাঁ, সমালোচনা হচ্ছে। তবে তা সব মানুষ করছে না। আপনারা যে বলছেন দেশের মানুষ সমালোচনা করছে- এটা ভুল। কিছু মানুষ করছেন। সে সমালোচনা ভুটানের কাছে হারের অনেক আগে থেকেই শুরু। ভুটানের কাছে হারের পর আমিও ঘুমাতে পারিনি। সেটিকে বলবো আমার জীবনের সবচেয়ে খারাপ দিন। ওই হারের পর আমাকে জবাই করার চেষ্টা করা হচ্ছে; কিন্তু সেটা সম্ভব নয়। আমি জানি, যুক্তি ছাড়া সমালোচনার কোনো দাম নেই। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের দিকে তাকান। এ নির্বাচন দেখে আমার আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। ট্রাম্প জেতায় আমার সাহসও বেড়েছে। গোটা দুনিয়ার মিডিয়া ট্রাম্পের নানা নেতিবাচক দিক প্রকাশ করেছে। সমালোচনায় তার কিছুই হয়নি’- বলেছেন কাজী মো. সালাউদ্দিন।

অনেকের মতে, ফুটবল পেছনে পড়েছে মফস্বলে নজর না দেওয়ায় এবং তৃণমূল উপেক্ষা করায়। এ বিষয়ে বাফুফে সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘আগামী ১০ ডিসেম্বর সাড়ে ৩ বছরের পরিকল্পনার বিস্তারিত দেব আপনাদের। ক্যালেন্ডারে যা রাখবো তাই বাস্তবায়ন করবো। জেলার ফুটবলও সক্রিয় হবে। সাড়ে ৩ বছরের এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আমাদের প্রায় ১০০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে।’