মেইন ম্যেনু

ডিমলায় এফডাব্লিউসিতে দূর্নীতি ও অনিয়মের তদন্তে ধাঁমাচাঁপার চেষ্টায় উপ-পরিচালক

f-wc-dimla-3

হামিদা আক্তার, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি : নীলফামারীর ডিমলায় একটি তদন্তকে কেন্দ্র করে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের নীলফামারীর উপ-পরিচালক মোছাঃ আফরোজা খানম তদন্তে অভিযোগগুলি ধাঁমাচাঁপা দেয়ার চেষ্টায়রত বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সূত্রে জানা গেছে, জেলার ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটিতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি অভিযোগ এনে এলাকাবাসীর পক্ষে প্রায় অর্ধ-শতাধিক সাধারণ জনগণ গণ স্বাক্ষর করে একটি অভিযোগ উক্ত বিভাগের বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মহা-পরিচালকের একটি সূত্রে ঘটনাটি তদন্তে গত সোমবার ৩১ অক্টোরব দুপুরে নীলফমারীর উপ-পরিচালক আফরোজা খানম ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় তদন্তে টিমে ছিলেন ডিমলা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ মোকবুল হোসেন। তদন্ত চলাকালে এলাকার শত শত মানুষ ঘটনা স্থলে উপস্থিত থেকে অভিযোগের পক্ষে-বিপক্ষে নানা রকম স্বাক্ষ্য প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত উক্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল লতিফ খাঁন উপস্থিত থেকে বলেন, এই পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটির জমি নিয়ে নানা জটিলতা রয়েছে। তবে ইউপি’র জমিও সেখানে রযেছে বলে দাবী করেন তিনি। উক্ত কেন্দ্রে কর্মরত পরিকবার কল্যাণ পরিদর্শিকা ছাবিরা বেগমের পক্ষেই লিখিত ভাবে সুপারিশ করে স্বাক্ষ প্রদান করেন ইউপি চেয়ারম্যান। তদন্তের সময় স্থানীয় সংবাদকর্মীরা ঘটনাস্থলের চিত্র ধারণ করতে চাইলে বাঁধা প্রদান করেন তদন্ত কমিটির সভাপতি ও উপ-পরিচালক আফরোজা খানম। এ সময় স্থানীয়দের সাথে বাক-বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। বিষয়টি ধাঁমাচাপাঁ দিতেই তিনি সংবাদকর্মীদের চিত্র ধারনে বাঁধা প্রদান করেছেন বলে স্থানীয়রা চিৎকার করে বলেন। পক্ষপাতিত্ব মূলক তদন্তে এসেছেন তিনি। তাই এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে আবারও তদন্ত প্রয়োজন বলে অভিযোগকারীরা দাবী করেছেন। লিখিত অভিযোগ সূত্রে প্রকাশ, উক্ত ভবনটির সীমানা ও প্রবেশ পথ নিয়ে জটিলতা থাকায় উক্ত পরিদর্শিকার পুত্র বিপ্লব উক্ত স্থানে দুই’টি দোকান ভারা দিয়ে উক্ত টাকা গ্রহন করছেন দীর্ঘদিন ধরে,ভবনটিতে পুরো ফ্যামিলি সদস্যরা গণহারে ভবনে বসবাস করায় আগত রোগীদের সেবায় বিঘœ ঘটছে, উক্ত জায়গায় স্যানিটেশনের কাজে রিং-স্লাব তৈরী করেছে ফলে আগত সেবাগ্রহন কারীরা ভোগান্তিতে পরছেন, ঔষধ বিক্রি, আগত রোগীদের সাথে অসৌজন্য মূলক আচরণসহ বিবিধ অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু তদন্তে কিছু ঘটনার সত্যতা মিললেও অধিকাংশ ঘটনাই মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে বলে উপ-পরিচালক দাবী করেন। তবে তিনি বিষয়গুলি নিরশনে চেষ্টা করবেন বলে উপস্থিত জনতাকে আশ্বস্ত করেন। তিনি জোড় দিয়ে বলেন ভবনের চারিদিকে বাউন্ডারী ওয়াল ও প্রবেশ পথ করার জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। এ সময় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিযোগকারীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ গোলম মোস্তফা,আব্দুণ সাত্তার বুলু, মোঃ আমিনুর রহমান,মোঃ লিয়াকত আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমান আলী,আব্দুর রউফ, মোঃ হারুন অর রশিদ,মোঃ রেজাউল করিম ও মোঃ গাজী প্রমূখ।