মেইন ম্যেনু

ডিমলায় ল্যাম্প-প্লানের শো (SHOW) প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

lamp-plan-3

হামিদা আক্তার, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি : আজ সোমবার ২১ নভেম্বর সকালে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার সদরে ল্যাম্প ডিমলা উপজেলা অফিস (মেডিকেল মোড়) চত্তরে বে-সরকারী সংস্থা প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলদেশের শো প্রকল্প বাস্তবায়নকারী বে সরকারী সংস্থা ল্যাম্পের আয়োজনে অবহিত করণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জে এ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের রংপুর বিভাগীয় প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডাঃ ঋষিকেশ সরকার, ল্যাম্পর সিএইচডিপি’র পরিচালক মি. স্বপন পাহান, ল্যাম্পের জেন্ডার ফোকাল পারসন ফ্লোরা পাহান, উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম প্রমূখ। শুরুতেই কোরআন তেলোয়াদ,গীতা থেকে পাঠ ও বাউবেল থেকে পাঠের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করা হয়। ল্যাম্পের প্রতিনিধি প্রভাদ দাস বিশ্ব শান্তি কামনায় বাইবেল থেকে পাঠ করে। উক্ত প্রকল্পের প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডাঃ এএফএম মোস্তফা সরকার স্বাগত বক্তব্য রাখেন। উক্ত প্রকল্পের ডিমলা উপজেলা কো-অর্ডিনেটর মোঃ নজরুল ইসলাম স্লাইড ”শা” এর মাধ্যমে প্রকল্পের যাবতীয় কার্যক্রম তুলে ধরেন। এ সময় তিনি স্লাউড শো দেখিয়ে প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন উপজেলার ১০টি ইউনিয়নেই এই প্রকল্পের আওতায় মা ও শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়নে এবং মা ও শিশু মৃর্ত্যুহার হ্রাসে এ প্রকল্পা কাজন করে যাবে আগমী ২০২০ সাল পর্যন্ত। প্রকল্পটি কার্যক্রম শুরু করা হয় এপ্রিল/১৬ থেকে। স্বাগত বক্তব্যে ডাঃ ঋষিকেশ সরকার বলেন, শো” একটি মাল্টি কান্ট্রি প্রকল্প। বাংলাদেশসহ আরো ৪টি দেশে নাইজেরিয়া,হাইতি,ঘানা ও সেনেগাল এ বাস্তবায়িত হচ্ছে। তবে দেশের ৮টি উপজেলায় বরগুনার জেলার সদর উপজেলা,খাগড়াছড়ির পানছরি ও নীলফামারীর ৬টি উপজেলায় শো প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। নীলফামারী জেলা মডেল হিসেবে প্রকল্পটি কাজ শুরু করেছে বলেও জানান তিনি। প্রকল্পটির নাম করণ করা হয়েছে ”মা ও শিশু স্বাস্থ্যের ফলাফল গুলোকে জোড়দার করণ”। লক্ষ্য হচ্ছে লক্ষিত এলাকায় মা ও শিশুর মৃর্ত্যু হ্রাসে অবদান রাখা। উদ্দেশ্যে লক্ষিত জনগোষ্ঠির জরুরী স্বাস্থ্য সেবা সমূহের সবোর্চ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করণ ও মান বৃদ্ধি করণে সহায়তা করা। যা প্রকল্পের ফলাফল, সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তন ও তথ্য সমূহ সরকারী নীতি নির্ধারক পর্যায়ে উপস্থাপন করা। অনুষ্ঠানের মধ্যে ভাগে প্রশ্ন-উত্তর পর্ব শেষে বক্তৃতা করেন বিশেষ অতিথিবৃন্দ, প্রধান অতিথি ও টেপাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম সাহিন, খগাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম লিথন, খালিশা চাপানী ইউপি চেয়ারম্যান ম্ঃো আতাউর রহমান প্রমূখ। প্রশ্ন উত্তর পর্বে উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রশ্ন করেন বলেন এ অঞ্চলে মা ও শিশুরা গুরুতর অসুস্থ্য হলে এই শো প্রকল্প তাদের দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রেরণের কোন এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস করবে কি না ? উত্তর প্রকল্পের কর্তৃপক্ষ বলেন, এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস হয়ত চালু হবে না। তবে ছোট ছোট বেটারী চালিত রিক্সা ভ্যান রাখার পরিকল্পনা রয়েছে প্রকল্পের। উক্ত প্রকল্পের অবহিতকরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সাংবাদিক বাদশা সেকেন্দার ভুট্ট ,সহ-সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মোহাম্মদ আলী সানু, ব্র্যাকের মা ও শিশু স্বাস্থ্য প্রকল্পের ম্যানেজার তনম্ময় কুমার সরকার, উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের স্বাস্থ্য পরিদর্শক ইনচার্জ মোঃ লোকমান হোসেন, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শকবৃন্দ, এসএসিএমও বৃন্দ, সিএইচসিপিবৃন্দ, এফডাব্লিউভিবৃন্দ ও এফ ডাব্লিএবৃন্দ প্রমূখ। অবহিতকরণ সভায় উপজেলার স্বাস্থ্য সেবার মান নিয়ে নানা দিক তুলে ধরে এবং কিভাবে আরো স্বাস্থ্য সেবার মান বাড়ানো যায় সে দিকে লক্ষ্য দেয়ার পরামর্শ দিয়ে বক্তৃতা করেন প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম।