মেইন ম্যেনু

তাড়াশ জাফর ইকবাল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় : স্কুল আছে ছাত্রী নাই

unnamed-2

সিরাজুল ইসলাম শিশির, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:- আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, প্রায় অনেক দিন যাবৎ সিরাজগঞ্জ জেলায় তাড়াশ উপজেলায় জাফর ইকবাল কারিগরি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কোন ছাত্রী ছাড়াই চলছে। এতে করে স্কুলের শিক্ষক থেকে শুরু করে কোন কর্মচারীদের কোন প্রকার কাজ করতে হয় না । প্রায় বেশিভাগ সময় স্কুলের সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও, এখানে প্রায় ১১ জন শিক্ষক ও আর কিছু সংখ্যাক কর্মচারী সরকার অনুমোদন, এম পি ও কোঠার ভিওিতে নিয়মিভাবে তাদের বেতন উওেলন করছেন।

জানা যায়, স্কুলের ক্লাস রুম ও অফিস রুম বেশিভাগ সময় বন্ধ থাকে। তাছাড়া স্বুলের হাজিরা খাতায় লোক দেখানো কিছু ভুয়া শির্ক্ষাথীর নাম আছে । যারা আদৌ এই স্কুলের ছাত্রী নয় ।

সরজমিনে স্কুল চলাকালে পর্যবেক্ষন করে দেখা যায় যে, স্কুলে জাতীয় পতাকা উওেলন করা হয় না ও তার কোন ব্যবস্থা নাই । আরও দেখা যায় যে, জাতীয় পতাকা রুমের এক ঘরে ময়লা জড়ানো মোচড়ানো অবস্থায় পড়ে আছে। তাছাড়াও ক্লাস রুমে নাই কোন ব্রাঞ্চ চেয়ার, টেবিল ও ব্লাকবোর্ড ইত্যাদি । স্কুলের দরজা ও জানালা নাই বললেই চলে । স্কুলের ভিতরে রাখা হয়েছে অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নাই কোন পরীক্ষাগার, নাই কোন কম্পিউটার নাই কোন প্রয়োজনীয় সরঞ্জম ইত্যাদি ।

জানা যায়, নারীদের শিক্ষার উন্নয়নের জন্য তাড়াশ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মাদ জাফর ইকবাল ২০০১ সালে তাড়াশ উপজেলার ভিতরে ভাদাস গ্রাম মৌজায় ৭৫ ডেসিমাল জমির উপর এই স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন , ২০০২ সালে এম পি ও হওয়ার পর এই স্কুলটি তেমন ভাল সফলতা অর্জন করতে পারে নি ।

তাছাড়াও অভিযোগ যে, এই স্কুলের সুপারিডেন্ট নজরুল ইসলাম নিয়মিতভাবে স্বুলে আসেন না। তার ইচ্ছেমত সব কিছু চলে,স্কুলের উন্নয়নের ব্যপারে তার কোন তদারকি নাই । তাছাড়াও এই ¯ু‹লের ভাল মানের শিক্ষক ও উন্নতমানের ব্যবস্থাপনা কমিটি না থাকায় শিক্ষার্থীদের অভিভাবকগণ তাদের ছেলে মেয়েদের ভর্তি বাতিল করে অন্য স্কুলে ভর্তি করিয়াছেন ।

স্থানীয়দের অভিযোগ যে, স্কুলের শিক্ষকগণ ও কর্মচারীগণ নিয়মিত স্কুলে না এসে, স্কুলের সব কার্যক্রম বন্ধ রেখে, কোন প্রকার কাজকর্ম ছাড়াই নিয়মিতভাবে তাদের বেতন উওেলন করছেন ।

জানা যায়, তাড়াশ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফকির জাকির হোসেন দায়িত্ব অবহেলা অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি স্কুলের ব্যাপারে কোন প্রকার তদারকি বা কোন সময় খোঁজ খবর নেয় না। আরও জানা যায়, স্কুলের কতৃপক্ষ তাকে নিজেদের আয়ত্রের মধ্যে রেখে সব কিছু করছে, যাতে করে তাদের কোন সমস্য না হয় ।

স্থানীয় লোকজনের দাবি, উপরোক্ত বিষয়বলি কর্তৃপক্ষের সঠিক তদন্তপূর্বক স্কুলের কার্যবলী পর্যবেক্ষন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে পুনারায় এ স্কুলের সঠিক শিক্ষা বিস্তার ফিরিয়ে আনার অনুরোধ জানিয়েছেন ।