মেইন ম্যেনু

দখল-দূষণে মরে গেছে দেশের ৮শ’ নদ-নদী

sitholokha_31971_1480132868

১১শ’ শতকে এ দেশে প্রায় দেড় হাজার নদী থাকলেও বর্তমানে এর সংখ্যা হ্রাস পেয়ে সাতশ’তে এসে ঠেকেছে। বাকি আটশ’ নদী দখল-দূষণ ও নাব্য সংকটসহ বিভিন্ন কারণে মারা গেছে।

মৃত্যুর হাত থেকে দেশের নদীগুলো বাঁচাতে নদী রক্ষায় করণীয় বিষয়ক ১৭ দফা দাবি জানানো হয়েছে।

শুক্রবার সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন অডিটোরিয়ামে ‘জাতীয় নদী কনভেনশন-২০১৬’ অনুষ্ঠানে সংগঠনের পক্ষ থেকে নদী রক্ষায় করণীয় ওই দাবিগুলো জানানো হয়। ‘জীবনের জন্য নদী, নদীর জন্য আমরা’ এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলন এ কনভেনশনের আয়োজন করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক এ কনভেনশন উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, ‘নদী আমাদের মা, নদীকে বাঁচাতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে যেতে হবে। সরকারকে নদী রক্ষায় আরও জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে।’

জাতীয় নদী রক্ষা কনভেনশনের স্মারক গ্রন্থে যশোর সরকারি এমএম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘১১শ’ শতকে প্রায় দেড় হাজার নদী থাকলেও বর্তমানে এর সংখ্যা হ্রাস পেয়ে সাতশ’ নদীতে এসে ঠেকেছে।

এ নদীগুলো মারা যাওয়ার পেছনে নদী দখল, নদীর নাব্য সংকট, নদী ভাঙনসহ নানা কারণ রয়েছে।’

১৭ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- নদী রক্ষায় শিল্প-কারখানায় ২৪ ঘণ্টা ইটিপি চালু রাখা, নদীর সীমানা রক্ষায় স্থায়ী সার্ভে কমিটি গঠন করা ও ৩ মাস পরপর নদীর পাড় সরেজমিন পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে ‘নদী ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়’ হিসেবে পুনর্গঠন করা, উজানের ৫৪টি নদীর ন্যায্য পানি প্রাপ্তিতে কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি করা ইত্যাদি।

সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক মো. আনোয়ার সাদতের সভাপতিত্বে দিনব্যাপী এ কনভেনশনে আরও উপস্থিত ছিলেন নগর পরিকল্পনাবিদ ও ইউজিসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. নজরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক প্রফেসর ড. হাফিজা খাতুন, ডুয়েট সাবেক ডিন প্রফেসর ড. মো. আবদুল মান্নান, জল ও পরিবেশ ইন্সটিটিউটের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী ম. ইনামুল হক, জনকণ্ঠ গ্র“পের নির্বাহী পরিচালক নজরুল ইসলাম প্রমুখ।