মেইন ম্যেনু

দলীয় নেতৃত্বে জয়কে চায় ‘তৃণমূল’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে কেন্দ্রীয় কমিটিতে আনার দাবি জানিয়েছেন তৃণমূলের নেতারা। ২০তম জাতীয় সম্মেলনের প্রথম দিনে দ্বিতীয় অধিবেশনে তৃণমূল নেতাদের বক্তৃতায় এই দাবি উঠে আসে।

সজীব ওয়াজেদ জয় এবারই প্রথম আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর হিসেবে জাতীয় সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় এই তথ্যপ্রযুক্তিবিদকে এবার দলীয় নেতৃত্বে আনার দাবি উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে।

সম্মেলনে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে যে ডিজিটাল বিপ্লব হচ্ছে এর রূপকার সজীব ওয়াজেদ জয়। আমরা তাঁকে নেতৃত্বে দেখতে চাই।

বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দীন বলেন, রাজশাহী বিভাগের নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে আগামীদিনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সজীব ওয়াজেদ জয়কে দেখতে চাই। তিনি জানান, জয় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে আসুক সেটা তৃণমূলের একান্ত দাবি।

মমতাজ উদ্দীন বলেন, ‘সজীব ওয়াজেদ জয় দেশের জন্য কাজ করছেন। তাকে দলীয় নেতৃত্বে আনলে দল ও দেশ উপকৃত হবে।’

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম বলেন, ‘সজীব ওয়াজেদ জয়কে আমরা কেন্দ্রীয় কমিটিতে চাই।’ তিনি বলেন, ‘মাননীয় নেত্রী আপনার ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে আপনার রানিংমেট কে থাকবে সেটা আপনিই সিদ্ধান্ত নেবেন।’

বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ধীরেন্দ্র নাথ সম্ভু বলেন, ‘জয়ের দিকে তাকিয়ে আছে সারা বাংলাদেশ। আমরা তাকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে চাই।’

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি হারুনুর রশীদ বলেন, আমি ইউরোপ আমেরিকার বিভিন্ন দেশে গিয়েছি। সেখানে সবাই জয়ের প্রশংসা করেছেন। তিনি আইসিটি খাতের পাইওনিয়র। আমরা আগামী দিনে তাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে চাই।

এসময় তিনি উপস্থিত কাউন্সিলর-ডেলিগেটদের উদ্দেশে বলেন, কী ভাই আপনারা চান কি না? এসময় উপস্থিত সবাই হাত তোলে তাকে সমর্থন করেন।

আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন শনিবার সকালে শুরু হয়েছে। সম্মেলনে সারা দেশ থেকে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কাউন্সিলর যোগ দিয়েছেন। এছাড়া দেশ-বিদেশের অতিথিরা কাউন্সিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এবারের সম্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মধ্যে সাধারণ সম্পাদকের পদটি নিয়ে সবার মধ্যে কৌতূহল। শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে জানিয়েছেন, এবারের সম্মেলনে চমক আছে। তবে সেই চমকটা কী সেটা জানার জন্য আগামীকাল সম্মেলনের শেষ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।