মেইন ম্যেনু

দাউদকান্দিতে অটোরিক্সার ধাক্কায় নিহত স্কুল ছাত্রের জানাজা সম্পন্ন

daudkandi-photo-25-11-16

দাউদকান্দিতে অটোরিক্সার (সিএনজি) ধাক্কায় নিহত স্কুল ছাত্র সাইফুল ইসলামের জানাজা আজ ২৫ নভেম্বর শুক্রবার সম্পন্ন হয়।

উপজেলার মানিককান্দি গ্রামের দুবাই প্রবাসী গিয়াস উদ্দিন সরকারের ৭ বছরের পুত্র ও স্থানীয় ইক্বরা স্কুলের ২য় শ্রেণির মেধাবী ছাত্র সাইফুল ইসলামকে আজ বিকালে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

গতকাল বিকাল সাড়ে পাঁচটায় উপজেলার গৌরীপুর-নৈয়াইর রাস্তা সংলগ্ন মানিককান্দি মাদরাসা থেকে আরবি পড়ে বের হওয়ার পর পিতাম্বরদ্দি হতে ছেড়ে আসা গৌরীপুরগামী একটি নাম্বারবিহীন সিএনজি চালিত অটোরিক্সা বেপরোয়াভাবে রাস্তার উল্টোপাশে এসে সাইফুল ইসলামকে ধাক্কা দেয়। তৎক্ষণাৎ উপস্থিত লোকজান সাইফুলকে উদ্ধার করে মূমুর্ষ অবস্থায় দাউদকান্দি থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (গৌরীপুর) নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

সাইফুলের চাচা জানান, ‘আমিও একজন ড্রাইভার। আমার ভাতিজার উপর উল্টা রাস্তায় গিয়ে এমন নির্মমভাবে এক্সসিডেন্ট করার পরও অটোরিক্সার চালক কিংবা গাড়ির মালিক পক্ষের কেউ এসে আমাদেরকে সামান্যতম সান্ত¦নাটুকুও দেয়নি। আমার ভাতিজার মাথা থেতলে মগজ বের হয়ে গেছে। কি এক ভয়ানক দৃশ্য! যদিও পরে পুলিশ গাড়িটি আটক করে থানায় নিয়ে গেছে কিন্তু ড্রাইভার পালিয়ে গেছে বলে শুনেছি’।

এব্যাপারে সার্জেন্ট (অব.) সাইফুল ইসলাম স্বপন বলেন,‘এখন রাস্তায় যারা অটোরিক্সা বা ছোটখাট গাড়ি চালায় তাদের কোন রকম প্রশিক্ষণ নেই এবং নেই লাইসেন্সও। যার ফলে সড়ক দুর্ঘটনার হার বেড়েই চলছে’। এ বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

এদিকে সাইফুলের বাবা ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে জানাজার আগে দুবাই হতে বাড়িতে এসে হাজির হন। তার কান্নায় আকাশ বাতাস ভারি হয়ে উঠে। সাইফুলের মা বাববার মূর্ছা যান ছেলের এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে। তারা উভয়ে সরকারের কাছে অটোরিক্সা ড্রাইভারের যথাযথ বিচার দাবি করেন।