মেইন ম্যেনু

দারিদ্র্য কমাতে কাজের সুযোগ সৃষ্টির তাগিদ

773poor proverty

দেশের ২৮ মিলিয়ন মানুষ এখনো দারিদ্র্যসীমার নিচে রয়েছে। তাদের দারিদ্র্যের কষাঘাত থেকে বের করতে হলে সমতা ও অধিক কাজের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

এজন্য লেবার ও সোশ্যাল ইনস্যুরেন্সের সমন্বয় করা জেতে পারে। বাংলাদেশ দারিদ্র্য বিমোচনে অনেক ভালো করেছে তবে আরো ভালো করার সুযোগ আছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনের মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা এই সব কথা বলেন।

সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ছিলেন, পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিও ফান, পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, বিআইডিএসর গবেষণা পরিচালক ড. রুশিদান ইসলাম রহমান, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব জিল্লার রহমান, বিশ্বব্যাংকের প্রোগ্রাম লিডার ইফফাত শরিফ ছিলেন।

অনুষ্ঠানে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে ১ কোটি ২৯ লাখ লোকের কর্মসংস্থান করতে হবে। এত বেশি সংখ্যক লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা অনেক কঠিন। তবে আমরা পারব। আমরা অনেক ভালো করেছি। আরো ভালো করার সুযোগ আছে। সব মানুষকে অর্থনীতির মূল স্রোতে আনতে হবে।

তিনি বলেন, অর্থনীতির সব সূচক ঠিক ভাবে চলছে বিষয়টা এমন না। কিন্তু আমরা চেষ্টা করছি। ২০৩০ সালের আগেই দারিদ্র্য হটাব। দারিদ্র্যকে জয় করব।

চিমিও ফান বলেন, বাংলাদেশের ২৮ মিলিয়ন মানুষ এখনো দারিদ্র্যসীমার নিচে রয়েছে। তাদের বের করে আনতে হলে প্রবৃদ্ধি বাড়াতে হবে। দারিদ্র্যের হার সহনশীল পর্যায়ে আনতে সমতা ও সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। এক্ষেত্রে লেবার ও সোশ্যাল ইনস্যুরেন্স প্রোগ্রাম সমন্বয় করতে হবে। একই সঙ্গে ব্যাপকভাবে পেনশন স্কিম চালু করার পরামর্শ দেন তিনি।

হোসেন জিল্লুর বলেন, বাংলাদেশ সামাজিক নিরাপত্তায় অনেক উদ্ভাবনী কাজ হয়েছে। আগে এক সময় ভিজিএফ কার্ড দিয়ে শুরু করেছিল। এখন স্কুলে উপবৃত্তি দিচ্ছে। বাংলাদেশের এই উদ্ভাবনগুলো বিশ্বের কাজে লাগতে পারে।

তিনি সোশ্যাল ইনস্যুরেন্স ও লেবার মার্কেটের মধ্যে সমন্বয় দরকার বলেও জানান।

তিনি বলেন, টেকনিক্যাল শিক্ষা নিয়ে সমাজে এক ধরনের খারাপ ধারণা প্রচলন রয়েছে। অনেকে মনে করেন এরা গরিব। তাই এই ধারণা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।