মেইন ম্যেনু

দুই আবাহনীর লড়াইয়ে ঢাকার জয়

ঘরোয়া ফুটবলে এখন বড়-ছোট সব ম্যাচই সমান। দর্শকশূণ্য থাকে গ্যালারি। দুই আবাহনীর লড়াই কিছুটা হলেও সে চিত্র বদলাতে পেরেছে। আজ (বুধবার) বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা প্রত্যাশীদের লড়াই ফিরিয়ে এনেছিল বড় ম্যাচের আবহ। অন্তত হাজার চারেক দর্শক গ্যালারিতে বসে দেখেছে ম্যাচটি। যাদের বেশির ভাগই ছিল লি টাক-সানডেদের সমর্থক।

হতাশ করেননি তারা, আবাহনীকে দারুন এক জয় উপহার দিয়েছেন এ দুই বিদেশি। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে চারবারের চ্যাম্পিয়ন আবাহনী ২-১ গোলে হারিয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনীকে। অনেক দিন পর দেখা গেল সমর্থকদের মিছিল, কন্ঠে আবাহনী…, আবাহনী… স্লোগান। দুই দলের প্রথম পর্বের ম্যাচ ড্র হয়েছিল ১-১ গোলে।

শুরু থেকেই সতর্ক ছিল দুই দল। গোল আদায় করার মতো ভালো আক্রমণও চোখে পড়েনি প্রথমার্ধে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ছিল উপভোগ্য ফুটবলের সব রসদ। তিনটি গোল, দুটি পেনাল্টি এবং দুটি লালকার্ড-উত্তেজনার আগুনই দেখা গেছে শেষ ৪৫ মিনিটে। চট্টগ্রাম আবাহনীকে বেশি আপসোসে পোড়াবে ৫৫ মিনিটের পেনাল্টি মিসটি। হাইতির লিওনেলের পেনাল্টি শট পোস্টে ফিরে না এলে ম্যাচের ফল অন্যরকমও হতে পারতো।

আবাহনীর জয়টা এসেছে সানডে-লি টাকের ৪ মিনিটের ঝড়ে। ৬৭ মিনিটে ইংলিশ ফরোয়ার্ড লি টাকের কর্নার থেকে নাইজেরিয়ান সানডের হেডে এগিয়ে যায় আবাহনী। ৭০ মিনিটে সানডের বাড়িয়ে দেয়া বলে ব্যবধান বাড়ান লি টাক। পায়ে পায়ে সংঘর্ষের পর ধাক্কাধাক্কি করে ৮৪ মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছেড়েছেন আবাহনীর আবাহনীর মামুন মিয়া ও চট্টগ্রাম আবাহনীর বিপ্লব। ৮৮ মিনিটে চট্টগ্রাম দ্বিতীয় পেনাল্টি পেলে জাহিদ হোসেন গোল করে ব্যবধান কমান।

টেবিলের শীর্ষে থেকে দ্বিতীয় পর্ব শুরু করেছিল চট্টলার দলটি। আবাহনীর কাছে হেরে নেমে গেল দ্বিতীয় স্থানে। আর কোটানের শীর্ষরা শিরোপা পুনরুদ্ধারের দৌড়ে এগিয়ে গেল এক ধাপ। ২৬ পয়েন্ট নিয়ে আবাহনী টেবিলের শীর্ষে, ২৪ পয়েন্ট চট্টগ্রাম আবাহনীর।