মেইন ম্যেনু

দুই বিল্ডিং’এর নীচে ২ মহিলার মৃত দেহ! মৃত্যুতে দুজনের মধ্যে অদ্ভুত মিল!

দু’টি মৃত্যু। খুন না আত্মহত্যা তা এখনও পরিষ্কার নয়। মৃত দুই মহিলা একে অপরকে চিনতেনও না। কিন্তু মৃত্যুর আগে পরে দু’ক্ষেত্রেই অদ্ভুত মিল। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হাওড়ার ব্যাঁটরা এবং বেলুড় থেকে উদ্ধার হওয়া দুই মহিলার মৃতদেহ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

হাওড়ার বেলুড় থানা এলাকার অভিজাত একটি আবাসনের নীচ থেকে শুক্রবার দুপুরে মধু তিওয়াড়ি নামে এক গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ওই আবাসনের দশতলায় মৃতার শ্বশুরবাড়ি। ৩১ বছর বয়সি ওই গৃহবধূর বাপের বাড়ি বিহারের পটনায় বলে জানা গিয়েছে। উপর থেকে পড়ে গিয়েই ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়। প্রতিবেশী এবং পুলিশ সূত্রে খবর, তিওয়াড়ি পরিবারে মাঝেমধ্যেই অশান্তি হতো। শুক্রবার দুপুরেও চিৎকার চেঁচামেচি শোনা গিয়েছিল। এর কিছুক্ষণ পরেই ওই গৃহবধূর নীচে পড়ার শব্দ শুনতে পান প্রতিবেশীরা। ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে বেলুড় থানার পুলিশ। এটি খুন না আত্মহত্যার ঘটনা তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। মৃত গৃহবধূর বাপের বাড়িতেও খবর পাঠানো হয়েছে।

বেলুড়ের ঘটনার রহস্য না কাটতেই এদিন হাওড়া নরসিংহ দত্ত রোডে একটি আবাসনের নীচ থেকে এক বৃদ্ধার দেহ উদ্ধার হয়। ওই আবাসনেই নিজের পরিবারের সঙ্গে থাকতেন রঞ্জুরানি দত্ত(৬২) নামে ওই বৃদ্ধা। তিনি ছাড়াও ফ্ল্যাটে তাঁর ছেলে, পুত্রবধূ এবং নাতি থাকত। মৃতার ছেলের দাবি, এদিন ভোরে তিনি ঘুম থেকে উঠে দেখেন ঘরের দরজা খোলা। এর পরেই আবাসনের নীচে মায়ের দেহ দেখতে পান তিনি। রঞ্জুদেবীর মাথা এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।

হাওড়ার বেলুড়ের ঘটনায় গৃহবধূর মৃত্যুর আগে পরিবারে চিৎকার, চেঁচামেচি শুনতে পেয়েছিলেন প্রতিবেশীরা। এক্ষেত্রেও শুক্রবার রাতে বৃদ্ধার পরিবারে চিৎকার, চেঁচামেচি শোনা গিয়েছিল বলে পুলিশকে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা। ওই বৃদ্ধা আত্মহত্যা করেছেন, না কি আবাসনের ছাদ থেকে ফেলে তাঁকে কেউ খুন করেছে, তা তদন্ত করে দেখছে ব্যাঁটরা থানার পুলিশ। বৃদ্ধার পুত্রবধূর অবশ্য দাবি, রঞ্জুরানিদেবী কখন ঘর থেকে বেরিয়েছেন, তা টের পাননি তাঁরা।